লন্ডনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে সোমবার বিকালে দেশে ফিরেছেন তামিম ইকবাল। যদিও দেশে ফিরেই অনুশীলন করতে পারছেন না তিনি। সপ্তাহখানেক বিশ্রাম নিয়ে শুরু হবে পুনর্বাসন। এরপর আগামী ৮ আগস্ট থেকে স্কিল ক্যাম্পে যোগ দেবেন।
তামিম সোমবার সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেছেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সেরে এরপর নিজের গাড়িতে করে বেরিয়ে গেছেন। বিমানবন্দরে গণমাধ্যম কর্মীরা অপেক্ষা করলেও তাদের সঙ্গে কথা বলেননি দেশ সেরা এই ওপেনার। গণমাধ্যম কর্মীরা তামিমের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলে কেবল ‘হাই’ বলে বিমান বন্দর থেকে বিদায় নিয়েছেন।
লম্বা সময় ধরে পিঠের ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করছেন তামিম। তাতে বেশ কিছু সিরিজেও খেলা হয়নি। যেসব ম্যাচ খেলেছেন, সেখানেও অস্বস্তি নিয়ে ব্যাটিং করতে দেখা গেছে। এরই মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের পর আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরেরর ঘোষণা দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছেন। তার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হওয়ার জন্য দেড় মাসের ছুটি দেওয়া হয় তামিমকে।
তামিম ছুটি কাটাতে প্রথমে পরিবারের সঙ্গে দুবাই গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ২৫ জুলাই যান লন্ডনে। বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে গিয়ে তার সঙ্গে যোগ দেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরীও। বিসিবি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, তামিমের পিঠের ব্যথার জন্য ইনভেসিব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। যেটা প্রচলিতভাবে ইনজেকশন।
তামিমের পিঠের নিচের দিকের দুটি অংশে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য দুই দিন ছিলেন সেখানে। এ বছরই আরেকটি ইনজেকশন নিতে হবে তার। সেটা কিছুদিন পর নিলেও সমস্যা নেই। তবে এক বছরে তিনবারের বেশি ইনজেকশন নিতে পারবেন না। জানা গেছে, বিশ্বকাপের আগে তামিমকে আরেকবার লন্ডন যেতে হবে। তৃতীয় ইনজেকশন তখনই নেবেন।
এই ধরনের ইনজেকশন পুশ করার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই ম্যাচে ফেরা সম্ভব। জানা গেছে, তামিমের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দুই ডিস্ক ঘিরে তিন থেকে চারটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। এই ইনজেকশন সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্নায়ুকে নিস্তেজ করে রাখে। কিন্তু সেটি কতদিন, তার স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেন না চিকিৎসকরাও। আগেরবার ঠিক এমন ইনজেকশন নিয়ে তামিম তিন মাস পুরোপুরি ব্যথামুক্ত হয়ে খেলেছিলেন।









