দুই দিন আগে দলের স্বার্থের কথা চিন্তা করে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন তামিম ইকবাল। ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না এশিয়া কাপেও। এই মুহূর্তে তার বিশ্রামেই থাকার কথা। কিন্তু রবিবার হুট করে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন তামিম। জানা গেছে, মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে আলোচনা করতেই তার বিসিবিতে আগমন।
বেশি দিন হয়নি পিঠের নিচের অংশে ইনজেকশন নিয়ে লন্ডন থেকে তামিম দেশে ফিরেছেন। এই মুহূর্তে তার কিছু করার নেই। ১০ দিনের মতো বিশ্রামে থাকার পর শুরু হবে তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। রবিবার দুপুর ১টায় মেডিক্যাল বিভাগের সঙ্গে কথা শেষে তামিম চলে যান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগে। সেখানে কিছুক্ষণ কথা বলে এই ওপেনার মিরপুর স্টেডিয়াম ত্যাগ করেছেন।
তামিম লন্ডন থেকে ৩১ জুলাই দেশে ফেরেছেন। এরপর বিসিবি সভাপতি ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসের সঙ্গে বৈঠক করেন ৩ আগস্ট। বৈঠক শেষে সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
লন্ডনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে তামিমের দুটি অংশে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। অস্ত্রোপচার না করে এই ধরনের ইনজেকশন ব্যবহারে দ্রুত সময়ে ম্যাচে ফেরা সম্ভব। তবে এটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্নায়ুকে নিস্তেজ করে রাখে। কিন্তু এভাবে কতদিন, তার স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেন না চিকিৎসকরাও। যেকোনও সময় ব্যথা ফিরে আসতে পারে। ফলে বিশ্বকাপের মতো একটি আসরে অধিনায়কত্ব করতে চাননি তামিম। মূলত দেশের স্বার্থে তার এই ত্যাগ।
সংবাদ সম্মেলনেও তিনি বলেছিলেন, ‘আমার কাছ মনে হয় সবার লক্ষ্যটা একই। একদিকেই তাকিয়ে আছি আমরা, আমি অধিনায়ক থাকি বা অন্য কেউ থাকুক লক্ষ্য একটাই। যদি বলি যে নাখোশ নই, তাহলে মিথ্যা হবে কারণ এতদিন একটা দলের সঙ্গে ছিলাম, ৯০ ভাগ মানুষ স্বার্থপর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু যখন দল সামনে আসে, তখন স্বার্থপর ব্যাপারটা দূরে রাখতে হয়। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সিদ্ধান্ত স্বার্থহীন।’
প্রাথমিক দলে থাকা ক্রিকেটাররা মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে ব্যস্ত। ২/১ দিনের মধ্যেই নির্বাচকরা এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করবেন। ইনজুরির কারণে অধিনায়কত্বের পাশাপাশি তামিম এশিয়া কাপ থেকেও নিজের নাম সরিয়ে ফেলেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে বিশ্বকাপের আগে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাঠে ফিরবেন তিনি। খেলবেন বিশ্বকাপেও।









