মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুম থেকে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মুশফিকুর রহিম চলে আসেন প্রেসবক্স প্রান্তে থাকা মঞ্চের দিকে। সেখানে নির্ধারিত স্ট্যান্ডে ট্রফি রাখতেই পুরো দল নিয়ে ফটোসেশন হয়। এরপর ট্রফির সাথে একা একাই ছবি তোলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। ট্রফির কাছ থেকে যেন সরতে চাইছিলেন না মুশফিক। শেষে ওখানে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন আসন্ন বিশ্বকাপে ‘স্পেশাল রেজাল্ট’ করতে চায় বাংলাদেশ।
২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন মুশফিক। এরপর ২০১১, ২০১৫, ২০১৯ মিলিয়ে আরও তিনটি বিশ্বকাপে অংশ নেন তিনি। টানা চার বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা ভারতে আসন্ন বিশ্বকাপে কাজে লাগাতে চান মুশফিক। ট্রফি নিয়ে ফটোসেশনের সময় আইসিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন আসন্ন বিশ্বকাপে সুযোগ ‘স্পেশাল রেজাল্ট’ করতে চান, ‘আমি অনেক ভাগ্যবান যে শেষ ৪টি বিশ্বকাপ খেলেছি। এবারও যদি খেলার সুযোগ পাই, তাহলে অবশ্যই চাইবো যে, গত ৪টা বিশ্বকাপে যেমন ফল পেয়েছি, তার চেয়ে যেন অনেক অনেক ভালো করতে পারি।’
আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগ বাংলাদেশ শেষ করেছে তৃতীয় স্থানে থেকে। তাইতো মুশফিকের মনেপ্রাণে বিশ্বাস বিশেষ কিছু করবে বাংলাদেশ, ‘ওয়ানডেতে আমরা যেহেতু অভিজ্ঞ দল ও গত ৪-৫ বছর ধরে ধারাবাহিক খেলছি, অবশ্যই আশা তো করাই যায় যে, অনেক ভালো একটা স্পেশাল কোনও রেজাল্ট করবো।’
২০০৭ সালে তরুণ মুশফিক ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন। সেখানে হাফ সেঞ্চুরিতে ভারতবধের অন্যতম নায়ক তিনি। এরপর একে একে মুশফিক আরও তিনিটি বিশ্বকাপ খেলে পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলার দ্বারপ্রান্তে। ওয়ানডে বিশ্বকাপের আসরে ২৯ ম্যাচে ৮৭৭ রান করেছেন তিনি। সেঞ্চুরি ১টি ও হাফসেঞ্চুরি ৬টি। অভিজ্ঞতা থাকলেও মুশফিক জানিয়েছেন মাঠের লড়াইয়ে যে ভালো খেলবে দিন শেষে হাসবে তারাই, ‘আমাদের সেই শক্তিমত্তা আছে, সেই বিশ্বাসটা আছে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে নির্দিষ্ট দিনে আমরা কত ভালো শুরু করতে পারি। আমার মনে হয়, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেন আমরা ভালোভাবে শুরু করি।’









