সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ৩৯.৩ ওভারে ১৯৪/৩, লক্ষ্য ১৯৪ (রিজওয়ান ৬৩*, সালমান ১২*; ইমাম ৭৮, বাবর ১৭, ফখর ২০)
ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী।
বাংলাদেশ: ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩/১০ (হাসান মাহমুদ ১*; শরিফুল ইসলাম ১, আফিফ হোসেন ১২, তাসকিন ০, মুশফিক ৬৪, শামীম ১৬, সাকিব ৫৩, হৃদয় ২, নাঈম ২০, লিটন ১৫, মিরাজ ০)
এশিয়া কাপে সুপার ফোরে গিয়ে আবারও হার দেখলো বাংলাদেশ। বাজে ব্যাটিংয়ে তারা পাকিস্তানকে ১৯৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল। জবাবে ৩৯.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজকরা। পাকিস্তান ম্যাচ জিতেছে ৭ উইকেটে।
মামুলি লক্ষ্যের বিপরীতে পাকিস্তানকে কখনো মনে হয়নি এই লক্ষ্য তারা টপকাতে পারবে না। বল হাতে সেরকম কোনও চাপ সাকিবরা তৈরি করতে পারেনি। তাতে অনায়াসেই ম্যাচ জিতেছে স্বাগতিক দল। অবশ্য শুরু থেকে ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণে থেকেছে ইমাম উল হকের ব্যাটে। জয়ের কাছে পৌঁছে দিয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রানে ফিরেছেন তিনি। ৭৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন রিজওয়ান। তিনি শেষ পর্যন্ত ৬৩ রানে অপরাজিত থেকে নির্বিঘ্নে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। তার ৭৯ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও একটি ছয়।
বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসার মিরাজ।
শুরুতে বড় জয়ের মঞ্চ গড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের পেসাররা। ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন হারিস রউফ। ফলে ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনি।
রিজওয়ানের ফিফটি
ইমাম উল হককে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে নিজের ১১তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন রিজওয়ান। পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার ফিফটি স্পর্শ করেছন ৭১ বলে।
৭৮ রান করা ইমাম উল হককে বিদায় দিলেন মিরাজ
শুরু থেকেই দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন ওপেনার ইমাম উল হক। প্রথম দিকে নড়বড়ে থাকলেও পরে খোলস ছেড়ে বের হয়েছেন। তার ব্যাটেই পাকিস্তান দল নির্ভর করতে থাকে। দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যেতে তাকে এই সময় যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও তাকে ৭৮ রানে থামিয়েছেন মিরাজ। ৮৪ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কা হাঁকানো ইমাম বোল্ড হয়েছেন। তার বিদায়ে ভেঙেছে ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ততক্ষণে পাকিস্তান অবশ্য জয়ের কাছেও পৌঁছে গেছে। ৩ উইকেটে স্কোর ১৫৯।
ইমামের ফিফটিতে ছুটছে পাকিস্তান
ফখর জামান ফিরলেও শুরু থেকে প্রান্ত আগলে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে গেছেন ইমাম উল হক। দলের স্কোরবোর্ডও এগিয়েছে তার ব্যাটে ভর করে। তাতে ৬১ বলে ১৯তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইমাম। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন রিজওয়ান।
রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন ইমাম
১৮.১ ওভারে মিরাজ প্রথমবারের মতো বল করতে এসেই বিপদে ফেলেছিলেন ইমাম উল হককে। ডিফেন্ড করতে গেলে বল লাগে প্যাডে। মিরাজ লেগবিফোরের আবেদন করলে সঙ্গে সঙ্গে আঙুল উঠিয়ে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। পরে অবশ্য রিভিউ নিয়ে বেঁচেছেন পাকিস্তান ওপেনার।
বাবরকে ফেরালেন তাসকিন
ফখর আউট হওয়ার পর ইমামকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি বাবর আজম। ১৫.৩ ওভারে তাকে বোল্ড করেছেন তাসকিন। তাতে ২২ বলে ১৭ রানে ফিরেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
দুটি রিভিউ নষ্ট করেছে বাংলাদেশ
১০.৫ ওভারে ইমাম উল হকের বিপক্ষে এলবিডাব্লিউর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। তখন বোলার ছিলেন হাসান মাহমুদ। আম্পায়ার তাতে সাড়া না দিলে বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। কিন্তু বল আউট সাইড লেগে পিচ করায় নষ্ট হয়েছে রিভিউ। তার পর ১৩.২ ওভারে দ্বিতীয় ও শেষ রিভিউটিও নষ্ট করে তারা। ইমাম উল হকের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন করেন তাসকিন। তাতে আম্পায়ার সাড়া দেননি। পরে রিপ্লেতে দেখা গেছে, প্রথম রিভিউর মতো এই ডেলিভারিতেও বল আউট সাইড লেগে পিচ করেছে।
ব্রেক থ্রু এনে দিলেন শরিফুল
মামুলি লক্ষ্য পেয়ে সতর্ক শুরু করেছিল পাকিস্তান। দুই ওপেনার আস্তে ধীরে খেলে ৯ ওভারে ৩৫ রান যোগ করেছেন। ৯.১ ওভারে দারুণ এক ডেলিভারিতে ব্রেক থ্রু এনে দেন শরিফুল। ফখর জামানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি। ৩১ বলে ২০ রান করা ফখর রিভিউ নিয়েও রক্ষা পাননি।
ফ্লাডলাইট জটিলতায় ২০ মিনিটের বিলম্ব
৫ ওভার খেলা মাঠে গড়ানোর পর ফ্লাডলাইট জটিলতায় ২০ মিনিটের মতো বন্ধ থাকে খেলা। পরে যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে শুরু করা হয় ম্যাচ।
ক্যাচ উঠেছিল ফখর জামানের
সাধারণ লক্ষ্য পেয়ে সতর্ক শুরু করেছে পাকিস্তান। ইনিংসের ৩.৪ ওভারে ক্যাচও উঠেছিল। শরিফুলের ওভারে ফখর জামানের ব্যাট ছুঁয়ে বল কিছুটা নিচু হয়ে প্রথম স্লিপে থাকা নাঈমের হাতের কাছে পড়েছিল। কিন্তু ঠিকমতো চেষ্টা না করায় সেটা হাতে জমাতে পারেননি নাঈম।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৩ রানেই শেষ বাংলাদেশের ইনিংস
এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ব্যাটিংটা আবারও বাজে হলো বাংলাদেশের। লাহোরে টস জিতে ব্যাটিং করলেও ১৯৩ রানে গুটিয়ে গেছে। এত কমে গুটিয়ে যাওয়ার জন্য শুরুর ধাক্কাই ছিল দায়ী। পাকিস্তানের বোলিং তোপে ৪৭ রানে পড়েছে চার উইকেট। তার পর সাকিব-মুশফিক যেভাবে জুটি গড়েছিলেন, তাতে ঘুরেও দাঁড়ায় তারা। দলীয় ১৪৭ রানে সাকিবের আউটে শত রানের জুটি ভাঙার পর বেশিক্ষণ টেকেনি বাংলাদেশের ইনিংস। এই জুটি যতক্ষণ ছিল, আশার সঞ্চার করেছে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু সাকিবের পর মুশফিকও ইনিংস বেশিদূর নিতে না পারায় খেসারত দিতে হয়েছে।
সাকিবের (৫৩) আউটের পর মুশফিক প্রান্ত আগলে ছিলেন অনেক্ষণ। তিনি থাকতে থাকতে দলের স্কোর হয়ে যায় ১৯০। ওই স্কোরে মুশফিক (৬৪) গ্লাভসবন্দি হতেই দ্রুত প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের। আফিফ হোসেনও টিকে থাকার মানসিকতা দেখাতে পারেননি।তাতে পুরো ইনিংস না খেলেই বাংলাদেশ ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩ রানেই গুটিয়ে গেছে।
৬ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন হারিস রউফ। ৩৪ রানে তিনটি নেন নাসিম শাহ। একটি করে নিয়েছেন শাহীন, ফাহিম ও ইফতিখার।
আফিফের বিদায়ে পড়লো নবম উইকেট
মুশফিকের বিদায়ে মুহূর্তেই খেই হারায় বাংলাদেশের ইনিংস। একপ্রান্তে আফিফ হোসেন থাকার পরেও। মুশফিক-তাসকিনের আউটের পরের ওভারে আফিফও ইনিংসের দায়িত্ব নিতে পারলেন না। ১২ রানে নাসিমের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন।
মুশফিকের বিদায়ে বিপদে বাংলাদেশ, দ্রুত ফিরলেন তাসকিনও
সাকিবের আউটের পরও সেট ব্যাটার হিসেবে প্রান্ত আগলে ছিলেন মুশফিক। ভালো সমাপ্তির জন্য তার ব্যাটেই তাকিয়ে ছিল লাল-সবুজ দল। কিন্তু ৩৭.২ ওভারে মুশফিককে গ্লাভসবন্দি করিয়ে ৬৪ রানে বিদায় দিয়েছেন হারিস রউফ। পরের বলে তাসকিনকেও গ্লাভসবন্দি করালে মুহূর্তেই বদলে যায় বাংলাদেশের ইনিংসের চিত্র। তাতে দ্রুত সময়ে খাদের কিনারে চলে গেছে সাকিবের দল।
শামীমকে ফেরালেন ইফতিখার
সাকিবের বিদায়ে ভেঙেছে সেট হওয়া জুটি। তাতে ছন্দপতনও হয়েছে ইনিংসে। যখন ইনিংসের রান বাড়িয়ে নেওয়াই মূল লক্ষ্য তখন প্রান্ত আগলে থাকা মুশফিককে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি শামীম। ৩৩.৫ ওভারে শাহীনকে ছক্কা মারলেও পরের ওভারে তাকে থামিয়েছেন ইফতিখার। ২৩ বলে ১৬ রান করা শামীম আউট হয়েছেন বল বাতাসে উঠিয়ে। তার ইনিংসে ছিল মাত্র ১টি ছয়।
সাকিবের আউটের পর মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি
সাকিব যে ওভারে আউট হয়েছেন ওই ওভারেই ফিফটি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ ব্যাটার ফিফটি স্পর্শ করেছেন ৭১ বলে। এটি ছিল মুশফিকের ৪৬তম ওয়ানডে ফিফটি।
শত রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙলো সাকিবের বিদায়ে
শুরুর ধাক্কার পর দারুণ জুটিতে বাংলাদেশের ইনিংস মেরামত করছিলেন সাকিব-মুশফিক। তাতে সফলও হন তারা। ১২০ বলে এই জুটি যোগ করে শত রান! জুটিতে হাফসেঞ্চুরিতে অবদান রাখেন অধিনায়ক সাকিব। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটিংয়েই ম্যাচে ফেরার মতো অবস্থায় ফিরতে পারে বাংলাদেশ। দুর্ভাগ্য ২৯.১ ওভারে জুটি ভেঙেছে সাকিবের বিদায়ে। ফাহিম আশরাফের বলে উঠিয়ে মারতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ফখর জামানকে ক্যাচ দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাতে ৫৩ রানে শেষ হয়েছে সাকিবের ইনিংস। তার ৫৭ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার।
সাকিবের হাফসেঞ্চুরি
বাংলাদেশকে বিপদ থেকে উদ্ধারের পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন সাকিব। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক ৫৪তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ৫৩ বলে।
সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে ধাক্কা সামলেছে বাংলাদেশ
৪৭ রানে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ জুটি গড়েছেন তারা। ২১তম ওভারে শাদাব খানকে সাকিব বাউন্ডারি মারলে বাংলাদেশের স্কোর ছাড়ায় একশ। আগের ওভারে নাসিম শাহকে টানা দুটি চার মারার পর জীবন পান বাংলাদেশের অধিনায়ক। সাকিবের ফিরতি শট ধরে রাখতে পারেননি নাসিম।
রউফের দ্বিতীয় শিকার হৃদয়
পাকিস্তানের পেস আক্রমণে কাঁপছে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। পঞ্চাশের আগেই পড়েছে গেছে চার উইকেট। ৪৭ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে তাওহীদ হৃদয়কে আউট করলেন তিনি। ৯ বলে ২ রানে বোল্ড হন বাংলাদেশি ব্যাটার। টানা দুই ওভারে দুটি উইকেট নিলেন পাকিস্তানের পেসার। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ছন্নছাড়া বাংলাদেশ, ৪ উইকেটে রান ৪৯।
রউফকে ফিরতি ক্যাচ দিলেন নাঈম
অষ্টম ওভারে হারিস রউফ বল হাতে নিতেই বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারালো। মোহাম্মদ নাঈম তার তৃতীয় বলে তাকে ফিরতি ক্যাচ তুলে দেন। ২৫ বলে চারটি চারে ২০ রান করেন তিনি। ৪৫ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের।
আক্রমণাত্মক শুরুর পর আউট লিটন
স্কোরবোর্ডে রান না হতেই মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হন। ক্রিজে নামেন লিটন দাস। শুরুটা ছিল আগ্রাসী। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি মেরে রানের খাতা খোলেন।
পরের দুই ওভারে নাঈম ও লিটন মিলে ২২ রান তোলেন। দুজনেই ছিলেন আগ্রাসী। পঞ্চম ওভারে ভেঙে যায় তাদের জুটি। শাহীন শাহ আফ্রিদির এক্সট্রা বাউন্সের বলটি কিপারের হাতে তুলে দেন লিটন। ১৩ বলে ১৬ রানে থামেন তিনি।
গোল্ডেন ডাক মারলেন মিরাজ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমে চোখ ধাঁধানো ইনিংস খেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে দিনটা তার ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম বলেই নাসিম শাহর শিকার তিনি। মারলেন গোল্ডেন ডাক।
ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম প্রথম ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদির কাছ থেকে কোনও রান আদায় করতে পারেননি। পরের ওভারে স্ট্রাইকে যান মিরাজ। নাসিমের প্রথম বলেই তিনি স্কয়ার লেগে ফখর জামানের ক্যাচ হন।
আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপ সুপার ফোরে আগে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ। বুধবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে হচ্ছে দুই দলের ম্যাচ। বাংলাদেশের একাদশে একটি পরিবর্তন। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ছিটকে যাওয়া নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গায় লিটন দাস ঢুকেছেন।
টস জয়ী বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘আমরা যদি স্কোরবোর্ডে ভালো রান তুলতে পারি, তাহলে তাদের চাপে ফেলতে পারবো। আফগানিস্তানের বিপক্ষে করা পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করতে চাই। কিন্তু আমরা বিশ্বের এক নম্বর দলের বিপক্ষে খেলছি, তাই আমাদের সেরা খেলতে হবে। তাদের শক্তি জানি, দুর্বলতাও। সেই চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে হবে এবং আমরা প্রস্তুত। লিটন শান্তর জায়গায়।’
বাংলাদেশ একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), শামীম হোসেন, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ।
পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, ইমাম উল হক, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), আগা সালমান, ইফতিখার আহমেদ, শাদাব খান, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ।









