ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শেষে হুট করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তামিম ইকবাল। পরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন বাঁহাতি এই ওপেনার। এই সময়টাতে ভক্তরা তামিমকে সিদ্ধান্ত বদলানোর আহবানও জানিয়েছিলেন। অনেকে তার এমন সিদ্ধান্তে মুষরেও পড়েছিলেন। সেই সব ভক্তদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চান তামিম।
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেও অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান দেশসেরা এই ওপেনার। সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবেই তিনি খেলে যাবেন। ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপে না থাকলেও নিউজিল্যান্ড সিরিজে ফেরার আশায় অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন তামিম। নিজের কঠিন সময়টাতে যে ভক্তরা তার পাশে ছিলেন, তাদের ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে চান তিনি। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমকে তামিম বলেছেন, ‘মানুষের সাড়া ছিল অসাধারণ। এসব আরও অনুপ্রেরণা যোগায়, যত তাড়াতাড়ি খেলায় ফিরে আসা যায়। যে ভালোবাসা তারা (ভক্তরা) দেখাচ্ছেন, ওই ভালোবাসাটা তাদের আবারও ফিরিয়ে দিতে চাই।’
লন্ডনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে ৩১ জুলাই দেশে ফেরেন তামিম। যদিও ফিরেই অনুশীলন করতে পারেননি। সপ্তাহখানেক বিশ্রাম নিয়ে শুরু করেন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। এরপর গত দুই সপ্তাহ ধরে ব্যাটিং অনুশীলনও শুরু করেছেন। নিজের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে তামিম বলেছেন, ‘আমাকে যে প্রোগ্রামটা দেওয়া হয়েছে, আমি আল্লাহর রহমতে প্রতিটা প্রোগ্রাম ঠিকঠাকভাবে করছি। খুব ভালোভাবে আমার উন্নতি হচ্ছে। বিশেষ করে ১০ তারিখের পর থেকে ফুল ইন্টেনসিটিতে অনুশীলন করার পরিকল্পনা আছে।’
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। তামিম আশাবাদী, ওই সিরিজেই পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরতে পারবেন। তিনি বলেছেন, ‘এখন অবধি কোনও সেটব্যাক হয়নি। কিছু জিনিস থাকেই। কিন্তু ওই পর্যায়ের ব্যথা অনুভব করিনি। পরের এক সপ্তাহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ, ফুল ইন্টেনসিটিতে প্র্যাক্টিস করার পরিকল্পনা আছে। আমি খুব আশাবাদী ও ইতিবাচক যে নিউজিল্যান্ড সিরিজের শুরু থেকে খেলতে পারবো।’









