সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং বিভাগ বড় দুশ্চিন্তার কারণ বাংলাদেশের। টপ অর্ডারের টানা ব্যর্থতায় নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন। তার পরেও সাফল্য ধরা দিচ্ছে কই? বিশ্বকাপের চার ম্যাচেই সেটা দেখা গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের আগে সেসব সিদ্ধান্তের পক্ষেই কথা বলেছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বরং তার কথাতে এটারও ইঙ্গিত মিলছে, এই পরিবর্তন আগামীতেও চলমান থাকবে!
ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেছেন, ‘মিরাজকে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দেওয়ার কারণ এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সে সেঞ্চুরি করেছিল। তাই আফগানদের বিপক্ষে তাকে প্রমোশন দিয়ে নামানো হয়েছিল।’
ওই ম্যাচে টিম ম্যানেজমেন্টর এই কৌশলটা হয়তো কাজে দিয়েছে। ফিফটি পেয়েছিলেন অফস্পিনিং অলরাউন্ডার। বাংলাদেশ জয়ও পেয়েছিল। কিন্তু তার পর থেকে এই কৌশল বিন্দুমাত্র কাজে আসেনি। বড় ব্যবধানে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক ভারতের কাছে তারা হেরেছে। ভারতের বিপক্ষে হারটা তো বড় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম দারুণ শুরু এনে দেওয়ার পরও বাংলাদেশ সেটা কাজে লাগাতে পারেনি। তখন মিরাজকে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দেওয়ার বিষয়টি অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। অনেকের মতে, বাংলাদেশ যেহেতু উড়ন্ত সূচনা পেয়েছিল। তাই প্রশ্ন উঠেছে তখন অভিজ্ঞ ও স্টাইক রোটেটে সিদ্ধহস্ত মুশফিককে পাঠানো আরও যুক্তিসঙ্গত হতো কিনা। সাকিব অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন, ‘আসলে প্রতিষ্ঠিত কিছু ব্যাটার নিচে ব্যাট করছে। কিন্তু এটার নিশ্চয়তা নেই ওপরে তুললে তারা স্কোর করবে। এসব আসলে কঠিন আর কৌশলী সিদ্ধান্ত; যা আমাদের নিতে হয়।’
তার পর তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, ‘এসবের ফলাফল মিশ্র। আমি এখনও মনে করি ওই তিন ম্যাচে আমাদের স্কোর ২৮০-২৯০ করার সুযোগ ছিল। শুধু রিয়াদ ভাই শেষ পর্যন্ত ভালো ব্যাট করেছে। রিয়াদ ভাই ভালো করছে কিন্তু তাকে ওপরে নিলে তখন যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থানের বাইরে গিয়ে সে স্কোরই করতে না পারে? তখন হয়তো বিষয়টি আমরা অনুধাবন করতে পারবো।’









