ইংল্যান্ডকে বধ করে ইতিহাস গড়েছিল আফগানিস্তান। বিশ্বকাপে ১৪ ম্যাচ পর জিতেছিল তারা। অঘটনের জন্ম দিয়ে আফগানরা এক ম্যাচ পরই হারায় পাকিস্তানকে। ওই দুই সাফল্যের প্রেরণা নিয়ে এবার টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলো তারা। সোমবার পুনেতে শ্রীলঙ্কাকে খুব সহজেই হারালো হাশমতউল্লাহ শহীদীর দল। এবারের বিশ্বকাপ নিশ্চিতভাবে তারা অবিস্মরণীয় করে রাখলো।
ফজল হক ফারুকীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ২৪১ রানে আটকে দেয় আফগানিস্তান। ৩৪ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন এই পেসার। টানা দুই ম্যাচ জেতা লঙ্কানদের জন্য সংগ্রহটা কমই হয়েছিল, যা তিন ফিফটিতে আফগানরা অবলীলায় অতিক্রম করেছে। ২৮ বল হাতে রেখে সাত উইকেটে জিতে এই বিশ্বকাপের তৃতীয় সাফল্য পেলো তারা। আগামী শুক্রবার তারা খেলবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। টানা দুই জয়ের আত্মবিশ্বাস নিশ্চিতভাবে আফগানদের এগিয়ে রাখবে। আর বিশ্বকাপে রেকর্ড ৪৩তম হারে শ্রীলঙ্কার সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন ফিঁকে হয়ে গেলো।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ডাক মারলেও আফগানিস্তান শক্ত হাতে হাল ধরে। রহমত শাহকে নিয়ে ইব্রাহিম জাদরান পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়েন। ৩৯ রানে তাকে থামতে হয়। ভাঙে ৭৩ রানের জুটি। পরে রহমত ও হাশমতউল্লাহ শহীদীর জুটিও পঞ্চাশের বেশি রান এনে দেয়। ৫৮ রান যোগ করেন তারা। ৬১ বলে ৫ চারে ফিফটি করা রহমত ৬২ রানে বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি।
হাশমতউল্লাহ আর আজমতউল্লাহ ওমরজাই আর শ্রীলঙ্কাকে উইকেট উদযাপন করতে দেননি। দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং তাদের জুটি ১১১ রানে অবিচ্ছিন্ন ছিল। তাতে ৪৬তম ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় আফগানিস্তান। হাশমতউল্লাহ ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচ জয়ী শট খেলা আজমতউল্লাহ ইনিংস সেরা ৭৩ রানে খেলছিলেন। ৪৫.২ ওভারে তিন উইকেটে ২৪২ রান করে তারা।
বিশ্বকাপে প্রথম ১৭ ম্যাচে মাত্র একটি জেতা আফগানিস্তান শেষ চার ম্যাচের তিনটি জিতলো এবং ছয় ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে উঠে গেলো তারা।







