নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচটা বিশ্বকাপের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। নিউজিল্যান্ডের জয়ের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। আজ কিউইরা জিতলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিশ্চিত হবে ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও শ্রীলঙ্কার। এমন দিনে রেকর্ড রান জমা করেছে নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে বেঙ্গালুরুতে ৬ উইকেটে তুলেছে ৪০১ রান। যা বিশ্বকাপে কিউইদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র। ওপেনিং জুটিতে তারা ৬৮ রান যোগ করেছেন। কনওয়ে ৩৫ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তার পর রবীন্দ্র-উইলিয়ামসনের জুটি বড় স্কোরের মঞ্চ গড়ে দিয়েছে। তাদের থামানোর কোনও উপায় জানা ছিল না পাকিস্তানি বোলারদের। তাদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত গতিতে রান তোলায় এই জুটিতেই ৩৪.২ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ২৪৮। দুর্ভাগ্য ঝড়ো গতিতে খেলা উইলিয়ামসন ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। ৯৫ রানে ইফতিখারকে উঠিয়ে মারতে গিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। উইলিয়ামসনের ৭৯ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ২টি ছয়।
কিউই অধিনায়ক ব্যর্থ হলেও তার আগে টুর্নামেন্টে রেকর্ড তৃতীয় সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন রাচিন। এক বিশ্বকাপে তিনটি সেঞ্চুরি পাওয়া প্রথম কিউই ক্রিকেটার এখন তিনি।
দুর্ভাগ্য উইলিয়ামসনের আউট ছন্দ পতন ঘটায় ইনিংসে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আউট হন রাচিন রবীন্দ্রও। ফেরার আগে ৯৪ বলে ১০৮ রানে আউট হন কিউই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১টি ছয়। তাতেও অবশ্য সমস্যা ছিল না। পর্যাপ্ত ওভার হাতে রেখে ইনিংসটা তিনশ ছাড়ায় ড্যারিল মিচেল ও মার্ক চাপম্যানের কল্যাণে। যদিও বেশিক্ষণ টেকেননি তারা। মিচেল ১৮ বলে ২৯ আর চ্যাপম্যান ২৭ বলে ৩৯ রান করে রান বাড়িয়ে নিতে অবদান রেখেছেন।
শেষে স্কোরটা চারশ পর্যন্ত গেছে গ্লেন ফিলিপস ও মিচেল স্যান্টনারের কার্যকরী ইনিংসে। ফিলিপস ৪টি চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ বলে ৪১ রানে আউট হলেও অপরাজিত ছিলেন স্যান্টনার। ১৭ বলে ২৬* রান করেছেন স্পিনিং অলরাউন্ডার।
পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। ৬০ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন।পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ছিলেন শাহীন আফ্রিদি। ৯০ রানে কোনও উইকেট পাননি তিনি। হারিস রউফ ৮৫ রানে একটি উইকেট নিলেও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েছেন। এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ছক্কা খাওয়ার রেকর্ডটি এখন তার দখলে। তাছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন হাসান আলী, ইফতিখার আহমেদও।









