বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে দল থেকে তামিম ইকবাল নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন। দল ঘোষণার দিন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, চোটের কারণে বিশ্বকাপ দলে নেই বাঁহাতি ওপেনার। যদিও দেশ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা পর তামিম ভিডিও বার্তায় কারণ জানান। সাকিবও কম যাননি, দেশ ছাড়ার আগে এক টেলিভিশনে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিয়ে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেন। দুজনের এমন বক্তব্য দলের পরিবেশ নষ্ট করেছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আছেন এই দুই ক্রিকেটার। চুক্তি অনুযায়ী তারা এভাবে গণমাধ্যম কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলতে পারেন কিনা সেই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিসিবির জবাব ছিল বিস্ময়কর।
মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটু বলেছেন, ‘তাদেরকে যদি দোষারোপের আওতায় নিয়ে আসা হয়, তাহলে আমাদের সংবাদমাধ্যমও আসে। আমি আপনাদেরকেও এটাই বলবো, অনেকেই হয়তো অসন্তুষ্ট হবেন।’
একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দুই পর্বের সাক্ষাৎকারে সাকিব সরাসরি দোষারোপ করেন তামিমকে। এছাড়া সরাসরি নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। যা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে প্রভাব ফেলে বলেও জানা যায়। টিম ম্যানেজমেন্টের রিপোর্টের পর সাকিবের এই সাক্ষাৎকারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কিনা সেই ব্যাপারে ভাববে বিসিবি, ‘বাংলাদেশের সাধারণ প্রক্রিয়া হলো টিম যখন আসে, তখন টিম ম্যানেজমেন্ট রিপোর্ট দেয়— সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে বাকি সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার কথা। সেই কার্যক্রম চলছে। সেই রিপোর্টগুলো দেখে সেই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করে।’









