বুধবার ইন্ডিয়া ক্যাপিটালস ও গুজরাট জায়ান্টসের মধ্যে অনুষ্ঠিত লিজেন্ডস লিগ ক্রিকেটের (এলএলসি) এলিমিনেটরে গৌতম গম্ভীর ও শ্রীশান্তের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। শ্রীশান্তের দাবি, একই ম্যাচে গম্ভীর তাকে ফিক্সার বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনিয়ে একাধিক ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। এই ঘটনায় তাকে এলএলসি কমিশনার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলা চলাকালে চুক্তি লংঘন করেছেন শ্রীশান্ত। সেখানে আরও বলা হয়েছে, গম্ভীরের সমালোচনা করে পোস্ট করা ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরই কেবল ভারতীয় পেসারের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে।
আম্পায়াররাও তাদের বাগবিতণ্ডা নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। কিন্তু শ্রীশান্তকে ফিক্সার বলার দাবির কোনও কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে শ্রীশান্ত একাধিক পোস্ট করা ভিডিওতে বলেন, ম্যাচ চলাকালে গম্ভীর তার সঙ্গে খুবই বাজে ব্যবহার করেন।
তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘কোনও ধরনের প্ররোচনা ছাড়া সে আমাকে এমন কিছু বলতে থাকে যা ছিল ভীষণ রূঢ় এবং গম্ভীরের এমনটা বলা উচিত হয়নি।’
গম্ভীর তাকে কী বলেছেন ওই বিষয়ে ভিডিওতে প্রথমে কিছু উল্লেখ করেননি শ্রীশান্ত। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন, ‘আমার কোনও দোষ ছিল না। আমি সব কিছু পরিষ্কার করতে চাই। তবে ক্রিকেট মাঠে লাইভে সে যা বলেছে সেটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।’
প্রথমে বিস্তারিত না জানালেও বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে দ্বিতীয় ভিডিওতে শ্রীশান্ত সেগুলো উল্লেখ করেছেন, ‘সে লাইভ টিভিতে আমাকে বারবার এটা বলতে থাকে সেন্টার উইকেটে। আমি তখন একটিও বাজে কথা বলিনি। কোনও ধরনের অপমানজনক মন্তব্য করিনি। শুধু তাকে বলেছি, ‘তুমি কী বললে?’ শ্রীশান্থ আরও যোগ করেছেন, ‘তখন আমি বিষয়টা ব্যাঙ্গাত্মক দৃষ্টিতে নিয়ে শুধু হাসছিলাম। কারণ, সে আমাকে বারবার বলছিল, ‘ফিক্সার, ফিক্সার, তুমি একটা ফিক্সার...।’
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কাণ্ডের জন্য রাজস্থান রয়্যালসের যে তিনজন ক্রিকেটার নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তার মধ্যে একজন শ্রীশান্ত। ২০১৯ সালে তার আজীবনের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি উঠিয়ে নেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। যার ফলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তার নিষেধাজ্ঞার শাস্তি সাত বছরে নামিয়ে আনে। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর।









