বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিসিএল) ওয়ানডে ভার্সনে শিরোপা জেতেছে নর্থ জোন। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের ফাইনালে ইস্ট জোনের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য ৩৮ বল আগেই পূরণ করে নর্থ জোন। এটি তাদের টানা দ্বিতীয় শিরোপা।
চলতি মৌসুমে লংগার ভার্সনেও ইস্ট জোন ও নর্থ জোন ফাইনালে খেলেছিল। সেই ম্যাচে জিতে শিরোপা অর্জন করেছিল ইস্ট জোন। এবার দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ওয়ানডে ফরম্যাটের বিসিএলে ইস্টকে হারিয়ে বদলা নিলো নর্থ।
মিরপুরে আগে ব্যাটিং করে নর্থ জোনকে ২৭৬ রানের লক্ষ্য দেয় ইস্ট জোন। ৮৮ রানে টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নর্থ জোন। তবে প্রথমে তাইবুর রহমান ও প্রীতম কুমার মিলে ৯০ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় কাটান। এরপর প্রীতম ও আকবর আলীর গুরুত্বপূর্ণ ৮০ রানের জুটিতে জয়ের ভিতটা পেয়ে যায় নর্থ। ব্যক্তিগত ৭৬ রান করে দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন প্রীতম। ৮৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান তরুণ এই ব্যাটার।
এইদিন আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা গেছে যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলীকে। তার অপরাজিত ৫৩ রানের ইনিংসে ভর করে নর্থ ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৩.৪ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছায়। ৫৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান আকবর।
ইস্টের হয়ে নাসুম আহমেদ দুটি এবং রেজাউর রহমান রাজা ও নাঈম হাসান একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে দিপুর সেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ২৭৫ রান করে ইস্ট জোন। দ্রুত রান তুললেও ৫৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় ইস্ট জোন। তবে চতুর্থ উইকেটে পারভেজ হোসেন ইমন ও শাহাদাত হোসেন দিপু মিলে ১২২ রানের জুটি গড়েন। ৭৩ রানে পারভেজ আউট হতে জুটি ভাঙে তাদের। ৮৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান ইস্ট জোনের এই ব্যাটার। এরপর ইফরান শুক্কুরকে নিয়ে ৫৯ রানের জুটি গড়েন দিপু। ইরফানের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান। এরপর নাসুম এসে ৪ রান করে ফেরেন সাজঘরে।
একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং করে যাওয়া দিপু শেষ পর্যন্ত ১১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তার এটি চতুর্থ সেঞ্চুরি। ১২২ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় দিপু নিজের ইনিংসটি সাজান।
দিপুর সেঞ্চুরির দিনে বল হাতে আলো ছড়ান নর্থ জোনের বোলার নাহিদ রানা। ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেন রানা। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটি তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। এ ছাড়া একটি উইকেট নেন শহীদুল ইসলাম। ইস্ট জোনকে কম রানে আটকে রেখে ম্যাচ সেরা হন নাহিদ রানা।









