তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে শ্রীলঙ্কা। শেষ ম্যাচে ২৬৭ রানের লক্ষ্য ৮৮ বল হাতে রেখে নিশ্চিত করেছে ৭ উইকেটের জয়।
সিরিজ জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কার। তৃতীয় ওয়ানডেতে সিরিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে জয়ে অবদান রেখেছেন। যা তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম। সিরিজে মোট ৩৪৬ রান তুলে কীর্তি গড়েছেন তিনি। যা তিন ম্যাচ সিরিজে কোনও শ্রীলঙ্কার ব্যাটারের সর্বোচ্চ সংগ্রহের নজির।
এতদিন সিরিজে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের রেকর্ডটি ছিল রোশান মহানামার। ১৯৯৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৬৭ রান করেছিলেন। নিসাঙ্কা এখন তাকেও পেছনে ফেলেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি আবার কোনও ব্যাটারের চতুর্থ সর্বোচ্চও। প্রথম ম্যাচে ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে প্রথম লঙ্কান ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়েছিলেন। তার পর প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে ওয়ানডেতে দ্রুততম দুই হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন ৫২ ইনিংসে। পেছনে ফেলেছেন উপুল থারাঙ্গাকে। সাবেক এই শ্রীলঙ্কান ৬৩ ইনিংসে দ্রুততম দুই হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন।
থারাঙ্গার রেকর্ড ভেঙে নিসাঙ্কা বলেছেন, তার কোনও ধারণা ছিল না যে রেকর্ডটা ভাঙতে পারবেন। সেটি হওয়ায় জীবনের প্রথম কোচ তথা নিজের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
শেষ ম্যাচে রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কা প্রথম উইকেট জুটিতে ১৩৮ বলে যোগ করে ১৭৩ রান। নিসাঙ্কা সেঞ্চুরি করলেও বিধ্বংসী ব্যাটিংটা করেছেন আভিষ্কা ফার্নান্ডো। ৬৬ বলে ৯১ রানে আউট হন আভিষ্কা। তার ইনিংসটি ছিল ১০টি চার ও ৫টি ছয়ে সাজানো। আভিষ্কার বিদায়ে ভাঙে ওপেনিং জুটি। তার পর ম্যাচ টেনে নিতে অবদান রাখেন নিসাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। মেন্ডিস ২৯ বলে ৪০ রানে আউট হলে দ্রুত সময়ে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কাও। ৩ উইকেট হারালেও ততক্ষণে জয়ের কাছেও পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। জয়ে অবদান রাখায় ম্যাচ সেরা ছিলেন নিসাঙ্কা-ই। সিরিজ সেরাও ছিলেন তিনি।









