এশিয়া কাপে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলছে বাংলাদেশ। আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়া টাইগারদের ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে দেখার জন্য ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। আর এই সুযোগে মোটামুটি লঙ্কাকাণ্ডই ঘটে গেছে টিকিট নিয়ে। শনিবার সকালে টিকিটের জন্য অপেক্ষমাণ জনতার সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়। বিশৃঙ্খলা রুখতে জলকামান ও রায়টকার বসিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। এরপর থেকে টিকিট বিক্রি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে মিরপুর ১০ গোল চত্বর এলাকা থেকে মিরপুর ২ পর্যন্ত রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
ফাইনালের টিকিট বিক্রি শুরু হয় শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা থেকেই এই ম্যাচের একটি টিকিট পেতে ইউসিবি ব্যাংকের মিরপুর শাখায় লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের! ব্যাংক খোলার একদিন আগেই মিরপুর ১০ নম্বরে অবস্থিত ইউসিবি ব্যাংকের এ শাখায় ভিড় জমাতে থাকেন কয়েক হাজার মানুষ। তবে সাড়ে ১০টার দিকে টিকিট বিক্রি শুরুর পর পরই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। লাইনে থাকা বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, সেখানে লাইনের সবাইকে ধীর গতিতে টিকিট দেওয়া হলেও অনেকেই প্রভাব খাটিয়ে পরিচিত ব্যাংকারদের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করছে। এ সময় ক্রেতাদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
শুধু রাজধানীতেই নয়, নারায়াণগঞ্জ, নরসিংদী ও মানিকগঞ্জ থেকেও অনেক তরুণ টিকিট কিনতে আসেন মিরপুরে। তারা মূলত ইউক্যাশের মাধ্যমে টিকিট কিনতে চেয়েছিলেন। তবে বিপত্তি ঘটে সেখানে। নরসিংদী থেকে টিকিট কিনতে আসা খালেদ ও রুমী জানান, ‘ইউক্যাশে অ্যাকাউন্ট খুলে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে অনেক চেষ্টা করলাম টিকিট কেনার। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই নাকি সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে বলে জানানো হলো ইউক্যাশের পক্ষ থেকে।'
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা রুবেল, আরিফ, তরুণ ও যুবায়ের চার বন্ধু। তারা কোনওভাবেই ফাইনাল ম্যাচটি মিস করতে চান না। এ কারণে আগে-ভাগে চলে এসেছেন ব্যাংকের সামনে। এখানেই তারা রাত কাটিয়েছেন।
/আরআই/এমআর/এআরআর/এফএস/








