দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা ভালোই লড়াই করলেন। তার পর আবারও চললো ম্যাট হেনরির বোলিং দাপট। তাতে ১৯৯৩ সালের পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের আশায় এখন নিউজিল্যান্ড। দুই ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ১-০ তে এগিয়ে আছে।
ব্ল্যাকক্যাপসরা ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭২ রানে অলআউট হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানে এগিয়ে থাকায় লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৯ রানের। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে তারা। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য চাই ২০২ রান। আর কিউইদের প্রয়োজন ৬ উইকেট। ক্রিজে আছেন ট্রাভিস হেড (১৭*) ও মিচেল মার্শ (২৭*)। শেষ দিকে ৯০ মিনিটের রোমাঞ্চকর খেলায় অসাধারণ বোলিং করেছেন ম্যাট হেনরি ও অভিষিক্ত বেন সিয়ার্স। দুই পেসারের প্রত্যেকে নিয়েছেন দুটি উইকেট। তারা বিদায় দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ (৯), মার্নাস লাবুশেন (৬), উসমান খাজা (১১) ও ক্যামেরন গ্রিনকে (৫)।
এই মাঠে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়ার সর্বোচ্চ স্কোরটি ২৮৫। গত বছর এই মাঠেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নাটকীয় এক ম্যাচে সেটি করেছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ বলে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১ রান।
প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে গুটিয়ে গেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো সূচনা পেয়েছিলেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। যদিও তিন অঙ্কের ডিজিটের দেখা পাননি কেউ। তেমনটা হলে ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়ার নাগালের বাইরে নেওয়া যেত। সকালে প্রথম আঘাতটি হেনেছেন কামিন্স। আগের দিনের সঙ্গে আর ২১ রান যোগ করে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন টম ল্যাথাম (৭৩)। চতুর্থ উইকেটে তার পর ১২৩ রান যোগ করেছেন রাচিন রবীন্দ্র ও ড্যারিল মিচেল। মিচেলকে ৫৮ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙেছেন জশ হ্যাজেলউড। ততক্ষণে লিড ১৮৪ রানে দাঁড়িয়েছে। পরবর্তী স্পেলে প্রথম বলেই রাচিনকে ৮২ রানে ফিরিয়ে ছন্দপতন ঘটান কামিন্স। তাতে নিউজিল্যান্ডের প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়ে। স্টক কুগলেইন (৪৪) শেষের দিকে প্রতিরোধ গড়ায় স্কোরটা ৩৭২ রান পর্যন্ত গেছে। শেষ উইকেট হিসেবে কুগলেইনকে তালুবন্দি করান লায়ন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৬২ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিন্স। ৪৯ রানে দুটি নিয়েছেন নাথান লায়ন। একটি করে নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক, হ্যাজেলউড ও ক্যামেরন গ্রিন।









