ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে টানা দুই ম্যাচ জিতে ভালোই শুরু করেছিল মোহামেডান। তবে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের কাছে হার মেনেছে তারা। আগে ব্যাটিং করে গাজী গ্রুপ ১৯১ রান সংগ্রহ করে। সহজ এই লক্ষ্যটা মোহামেডান ছুঁতে পারেনি কেবল ব্যাটিং ব্যর্থতায়। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ১৮৯ রানে দলটির ইনিংস থামায় গাজী গ্রুপ ৩ রানের জয় পেয়েছে। গাজী গ্রুপের জয়ের নায়ক পেসার রুয়েল মিয়া।
ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে গাজী গ্রুপের দেওয়া ১৯২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৬০ রানে টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটারকে হারায় ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইমরুল ১৩ ও আরিফুল ইসলাম খেলেন ১২ রানের ইনিংস। রনি তালুকদার ২২ ও রুয়েল মিয়া রানের খাতা না খুলেই আউট হয়েছেন। পঞ্চম উইকেটে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও আরিফুল হক মিলে যোগ করেন ৭২ রান। ৫৩ বলে ২৯ রান করে আরিফুল আউট হলে জয়ের পথটা কঠিন হয়ে যায়। তারপরও প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করে গেছেন অঙ্কন। কিন্তু কেউই তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৩ রানের প্রয়োজন ছিল। তখন ক্রিজে ছিলেন অঙ্কন। প্রথম তিন বলে ৮ রানও নিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু বাকি তিন বলে বাকি ৫ রান নিতে পারেননি তিনি। পঞ্চম বলে ডাবল নিতে গিয়ে রান আউটে শেষ ব্যাটার হিসেবে কাটা পড়েছেন। তাতে ৪৯.৫ ওভারে ১৭৯ রানে থামে মোহামেডানের ইনিংস। ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মোহামেডানের এই ক্রিকেটার ১২৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৯৪ রানের ইনিংস খেলেছেন।
গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বোলারদের মধ্যে ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন রুয়েল মিয়া। তার বোলিংয়েই মূলত মোহামেডানের বোলাররা খেই হারিয়েছে। এছাড়া জয়নুল ইসলাম ও শেখ পারভেজ জীবন প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস জিতে মোহামেডানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে খুব বেশি রান করতে পারেনি গাজী গ্রুপ। আনিসুল ইসলামের ৭১ রানে ভর করে গাজী গ্রুপ ১৯১ রানের সংগ্রহ গড়তে পারে। এর বাইরে আল আমিন জুনিয়র ৩২ ও মঈন খান ২৭ রানের ইনিংস খেলেছেন।
মোহামেডানের বোলারদের মধ্যে নাঈম হাসান ২৮ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আবু হায়দার রনি, মুশফিক হাসান ও আসিফ হাসান নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।









