সম্প্রতি টি-টোয়েন্টিতে বাজে ফর্মে ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ধারণা করা হচ্ছিল, আইপিএলে নতুন দল চেন্নাই সুপার কিংসেও এবার ‘প্রচারণার’ অংশ হিসেবে দেখা যাবে তাকে। কিন্তু মাথিশা পাথিরানার ইনজুরিতে একাদশে সুযোগ পেয়েই বুঝিয়ে দিলেন ফুরিয়ে যাননি। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুুরুকে ১৭৩ রানে আটকে দিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
পঞ্চম ওভারে বল হাতে নেন মোস্তাফিজ। প্রথম বলে ডট দিলেও দ্বিতীয় বলে ফাফ ডু প্লেসি চার মারেন। আট চারে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটারকে পরের বলে রাচিন রবীন্দ্রর ক্যাচ বানান বাঁহাতি পেসার। ২৩ বলে ৩৫ রানে থামেন ডু প্লেসি। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর নতুন ব্যাটার রজত পতিদার নামার তিন বল পরে শূন্যতে বিদায় নেন মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্যাচ হয়ে। ৪১ রানেই দুটি উইকেট হারানোর ধাক্কায় পরের ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও ডাক মারেন দীপক চাহারের বলে।
পাওয়ার প্লেতে ৪২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বিরাট কোহলি ও ক্যামেরন গ্রিন ইনিংস মেরামত করছিলেন। দ্বিতীয়বার বল হাতে নিয়ে দুজনকেই ফেরান মোস্তাফিজ। তিনি ১২তম ওভারে কোহলিকে রাচিনের ক্যাচ বানানোর পর বোল্ড করেন গ্রিনকে। প্রথম ২ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে চার উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার।
এরপর অন্য বোলারদের খরুচে বোলিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বেঙ্গালুরু। অনুজ রাওয়াতকে নিয়ে দিনেশ কার্তিক ৫০ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। মোস্তাফিজও তার শেষ ওভারে ১৬ রান দেন। ইনিংসের শেষ বলে ভাঙে ষষ্ঠ উইকেটের এই জুটি। ৪৮ রানে মাঠ ছাড়েন রাওয়াত।৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন দিনেশ। ২১ রান করেছিলেন কোহলি।
মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে চার উইকেট নেন, যা তার আইপিএল ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে হায়দরাবাদের হয়ে ১৬ রানে তিন উইকেট নিয়েছিলেন। এত দিন ওটাই ছিল তার আইপিএলের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।








