দিল্লি ক্যাপিটালস আইপিএলের লিগ পর্ব শেষ করলো চমৎকার জয় দিয়ে। বলা চলে, প্লে অফে খেলার আশাও আর নেই। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিদায় বলা যাচ্ছে না। কারণ কাগজে কলমে এখনও তাদের সেরা চারে থাকার সুযোগ আছে। এজন্য সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে শেষ দুটি ম্যাচ হারতে হবে সম্মিলিতভাবে ১৯৪ রানে। তাহলে নেট রান রেটে দিল্লি তাদের ছাপিয়ে প্লে অফের টিকিট পেলেও পেতে পারে। এককথায় যা হওয়া অসম্ভব। এছাড়া আরও অন্যদের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে দিল্লিকে।
যাই হোক, দিল্লি ১৯ রানের জয় দিয়ে এই পর্ব শেষ করায় নিশ্চিতভাবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে। আর তাদের এই জয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে রাজস্থান রয়্যালস। এছাড়া চেন্নাই সুপার কিংস, হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জন্যও আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে দিল্লি।
চেন্নাই ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে। হায়দরাবাদ ১২ ম্যাচ খেলে সমান পয়েন্ট পেয়ে চতুর্থ স্থানে। শেষ ম্যাচ খেলার আগে ১২ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে বেঙ্গালুরু।
মঙ্গলবার দিল্লি তাদের শেস ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে। এই মৌসুমে নজর কাড়া জেক ফ্রেসার-ম্যাকগার্ক ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হলেও অভিষেক পোরেলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ৩৩ বলে ৫ চার ও ৪ ছয়ে ৫৮ রান করেন এই ওপেনার। শাই হোপ খেলেন ৩৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরা অধিনায়ক রিশাভ পান্তের ৩৩ রান ছিল কার্যকরী। ট্রিস্টান স্টাবস ২৫ বলে তিন চার ও চার ছয়ে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
দুই ফিফটিতে দিল্লি ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান করে।
বড় লক্ষ্যে নেমে পঞ্চম ওভারে ৪৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় লখনউ, তিনটিই নেন ইশান্ত শর্মা। তবে নিকোলাস পুরান ও আর্শাদ খানের ব্যাটে লড়াই করে গেছে তারা। দলীয় ১০১ রানে পুরান থামলে আর্শাদ চেষ্টা চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৮৯ রানে থামে লখনউ।
২৭ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ে ৬১ রান করেন পুরান। ৩৩ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন আর্শাদ।
দিল্লির পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা। পাওয়ার প্লের মধ্যে লখনউর মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন এই পেসার।









