সেন্ট ভিনসেন্টে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাজে ব্যাটিংয়ের নজির রেখেছিল বাংলাদেশ। নেপালে বিপক্ষে ১০৬ রানে অলআউট হয়েছে। এই রান তাড়া করতে নেমে নেপালও থেমে যায় ৮৫ রানে। মূলত বাংলাদেশের বোলাররা মান রাখাতেই সেটা সম্ভব হয়েছে। তাতে ২১ রানের জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ডি’ থেকে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মন্থর পিচে এত কম রান করেও বাংলাদেশ জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিল। এমনটাই জানিয়েছেন, ম্যাচসেরা হওয়া তানজীম সাকিব।
ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে জুনিয়র সাকিব বলেছেন, ‘আমরা শুধু জিনিসগুলো সহজ রাখতে চেয়েছিলাম। বিপর্যস্ত না হয়ে ভালো জায়গায় বোলিং করতে চেয়েছিলাম। আমরা এই রান ডিফেন্ড করতে খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। বোলিং আক্রমণ সুন্দর, সবাই ভালো বোলিং করেছে। ডেথ ওভারে চাপের মুখেও উইকেট মেডেন বোলিং করেছেন মোস্তাফিজুর।’
শুরু থেকেই নেপালের ব্যাটিং আক্রমণকে গুঁড়িয়ে দেন জুনিয়র সাকিব। এদিন ৪ ওভার বোলিং করে দুই মেডেনসহ ৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন। এটি তানজিম সাকিবের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ইকোনমি ছিল ১.৭৫। ডট দিয়েছেন ২১টি, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ডট দেওয়ার রেকর্ড। শুধু কি তাই? কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার এবং প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ২ ওভার মেডেন নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। এর আগে ২০১৬ বিশ্বকাপে ২২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।









