স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ড যে গ্রুপে, সেখান থেকে আফগানিস্তানকে সুপার এইটে দেখা লোকের সংখ্যাই হয়তো হাতেগোনা ছিল। কিন্তু হট ফেভারিট নিউজিল্যান্ডকে ছিটকে দিয়ে সেরা আটে তো জায়গা করে নিলো, যেখানে ছিল ভারত আর অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দল। এই পর্বেই আফগানিস্তানের শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকে। কিন্তু একজন রশিদ খানদের সেমিফাইনালে দেখতে পেয়েছিলেন, তাও টুর্নামেন্ট শুরুর আগে। ব্রায়ান লারা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, শেষ চারে খেলবে আফগানরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং গ্রেটকে সঠিক প্রমাণ করতে পেরে গর্বিত আফগানিস্তান অধিনায়ক।
‘আফগানিস্তান, তারা শেষ চারে ওঠার সামর্থ্য রাখে।’- একজন কিংবদন্তির মুখ থেকে বেরিয়ে আসা এই কথা তাঁতিয়ে দিয়েছিল রশিদদের। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে দাপুটে জয় সেই অনুপ্রেরণার ফসল। বাংলাদেশকে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর আফগানি স্পিন অলরাউন্ডার এই কথা বললেন।
গর্বিত কণ্ঠে রশিদ বললেন, ‘আমি মনে করি আমরা একজন ব্যক্তিকে সঠিক প্রমাণ করতে পেরেছি: ব্রায়ান লারা, একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেরা চার, সেমিফাইনালে ওঠা দলের তালিকায় আফগানিস্তানের নাম উল্লেখ করেছিলেন। অভ্যর্থনা পার্টিতে যখন তার সঙ্গে আমাদের দেখা হলো তখন আমরা তাকে বলেছিলাম, আমরা আপনাকে সঠিক প্রমাণ করতে চাই।’
লারার বক্তব্য কতটা অনুপ্রাণিত করেছে, সেটা বললেন রশিদ, ‘একজন লিজেন্ড যখন আপনাকে নিয়ে এই ধরনের দারুণ বক্তব্য দিবে, তখন একটি দল হিসেবে আমি মনে করি সেটা আপনাকে অনেক শক্তি দিবে।’
সিনিয়র পুরুষদের ক্রিকেট ইভেন্টে প্রথমবার সেমিফাইনালে আফগানিস্তান। এই সাফল্য দেশের তরুণদের জন্য বিশাল অনুপ্রেরণার বললেন রশিদ, ‘আমি মনে করি সেমিফাইনাল হতে যাচ্ছে দেশের তরুণদের জন্য বিশাল, বিশাল অনুপ্রেরণার। আফগানিস্তান দল প্রথমবার সেমিতে। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে আমরা সেমিফাইনালে খেলেছি, কিন্তু এই পর্যায়ে আমরা কখনও সেটা করিনি। এমনকি সুপার এইটে খেলাও ছিল আমাদের জন্য প্রথম, তারপর সেমি। এটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি।’









