হারারেতে জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথম টি-টোয়েন্টি হারার পর থেকে চলছে ভারতের দাপট। দ্বিতীয় ম্যাচে অভিষেক শর্মার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ১০০ রানে জিতেছিল তারা। বুধবারও তাদের ব্যাট হাসলো। জিম্বাবুয়েকে ২৩ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে গেলো ভারত।
হারারেতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুবমান গিল ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের দারুণ পারফরম্যান্সে ৪ উইকেটে ১৮২ রান করে ভারত। জিম্বাবুয়ে সাত বোলারকে দিয়ে বোলিং করিয়েও তাদের রানের লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
ভারতের চার উইকেটের দুটি করে পান ব্লেসিং মুজারাবানি ও সিকান্দার রাজা। এই দুজন ছাড়া কেবল রিচার্ড এনগারাভা চার ওভারের কোটা পূরণ করেছেন।
সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধেভেরে, এক ওভার করে বল করে তারা দিয়েছেন যথাক্রমে ১৫ ও ১৯ রান।
যশস্বী জয়সাওয়াল ও গিল ওপেনিং জুটিতে ৬৭ রান তুলে নবম ওভারে বিচ্ছিন্ন হন। জয়সওয়াল ৩৬ রান করেন। আগের ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করা অভিষেক (১০) দ্রুত ফিরে যান। গিলকে নিয়ে রুতুরাজ ঝড় তোলেন। ৪৪ বলে ৭২ রান করেন তারা।
৪৯ বলে ৭ চার ও ৩ ছয়ে ৬৬ রান করে আউট হন গিল। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৮ বলে চারটি চার ও তিনটি ছয়ে ৪৯ রান করে ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে থামেন রুতুরাজ। এছাড়া সাঞ্জু স্যামসন ৭ বলে ১২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।
১৮৩ রানের লক্ষ্যে নেমে ওয়াশিংটন সুন্দর ও আবেশ খানের বোলিংয়ে ৩৯ রানে ৫ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। আরেকটি বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কায় ছিল তারা। তবে ডিয়ন মায়ার্স ও ক্লাইভ মাদান্দে সেই লজ্জা থেকে বাঁচান।
দুজনে মিলে ৫৭ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন। মাদান্দে ২৬ বলে ৩৭ রানে থামেন। শেষ দিকে ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে নিয়ে ডিয়ন চল্লিশ ছাড়ানো জুটিতে হারের ব্যবধান কমান। ৪৯ বলে সাত চার ও এক ছয়ে ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডিয়ন। ১৮ রানে খেলছিলেন ওয়েলিংটন।
জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানে থামাতে তিন ব্যাটারকে ফেরান ওয়াশিংটন। চার ওভারে ১৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা তিনি। দুটি পান আবেশ।









