বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে লাল বলের চ্যালেঞ্জ সামলাতে নামবেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে পুরোনো পরিসংখ্যান বাংলাদেশকে চোখ রাঙাচ্ছে। সেটি হচ্ছে এখন পর্যন্ত তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্টও জিতেতে পারেনি। অধিনায়ক শান্ত অবশ্য পুরোনো পরিসংখ্যান মনে রেখে মাঠে নামতে চান না। নিজের দলের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে পরিসংখ্যান পাল্টাতে মুখিয়ে আছেন।
প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে আজ মঙ্গলবার রাওয়ালপিণ্ডিতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশের অধিনায়ক। বিরুদ্ধ কন্ডিশনে খেলোয়াড়রা টেস্ট ম্যাচের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য মুখিয়ে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি, ‘আমি মনে করি, এটি (পাকিস্তান ১২-০ বাংলাদেশ) শুধুই রেকর্ড। রেকর্ড বদলাতেই পারে। কাজটা সহজ হবে না। তবে যেটা বললাম, আমাদের দল খুব ভারসাম্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এবার বিশেষ কিছু করতে পারবো। ক্রিকেটাররা এখানে খেলার জন্য রোমাঞ্চিত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। যার মধ্যে ১২টি ম্যাচেই হেরেছে, ড্র করতে পেরেছে একটি। হেরে যাওয়া ১২ ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতেই আবার ইনিংস ব্যবধানে। তার মধ্যে সর্বশেষ তিনটিতে বিধ্বস্ত হয়েছে বাজেভাবে। তাছাড়া সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও শান্ত-সাকিবরা ভালো করতে পারেনি। অধিনায়ক অবশ্য জানালেন, সতীর্থদের প্রতি তার আস্থার কথা, ‘(শ্রীলঙ্কা সিরিজে বড় হারের পর) আলাদা করে কিছু করতে চাই না। সবাই জানে, আমাদের ব্যাটিংটা কয়েক দিন ধরে ভালো হচ্ছে না। সবশেষ টেস্ট সিরিজটাও ওরকমভাবে ভালো করিনি। তবে প্রস্তুতির দিক থেকে ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছি। যতটুকু সুযোগ পেয়েছি, ভালোভাবে তৈরি হওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেক ক্রিকেটার বিশ্বাস করে, বিশেষ করে এবার ব্যাটিং ইউনিটে আমরা ভালো করবো। পাশাপাশি টেস্ট জেতার জন্য বোলিংটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, দল হিসেবে এবার খুব ভালো সুযোগ আছে আমাদের।’
রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে টস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের অধিনায়ক সেটি স্বীকারও করলেন, ‘হ্যাঁ (টস) খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার মতে, ক্রিকেটাররা ব্যাটিং-বোলিংয়ের জন্য তৈরি আছে। তবে এটি (টস) গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগতভাবে আমি টস নিয়ে বেশি ভাবছি না। ক্রিকেটার হিসেবে সব পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’









