যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপ খেলে আর দেশে ফেরেননি সাকিব আল হাসান। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় লিগ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন। সেখান থেকে সরাসরি পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজে অংশ নিয়েছেন তিনি। শুক্রবার শুরু হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ওই টেস্ট সিরিজ শেষে সাকিব চলে যাবেন ইংল্যান্ডে। সেখানে কাউন্টি ক্রিকেট খেলে ফের ভারত সিরিজে যোগ দেবেন। এভাবে ঘুরে ঘুরেই আপাতত জাতীয় দলে খেলবেন বাংলাদেশের সেরা এই ক্রিকেটার।
আগামী মাসে ভারতে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। সফরে দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা। জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে পুরো আসরে পাওয়া যাবে- এমনটা নিশ্চিত করেছেন বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিসিবির বোর্ড সভা শেষে গণমাধ্যমে এ কথা বলেছেন তিনি।
সাকিব আগামী ৫ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর কাউন্টিতে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছেন। ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর সমারসেটের বিপক্ষে সারের ম্যাচ। কাউন্টি ম্যাচ শেষ করে সাকিব ভারতের বিমান ধরবেন। কারণ, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে দুটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। সাকিব পুরো সিরিজেই অ্যাভেইলেভেল থাকবেন। সাকিব একটি ম্যাচ খেলতেই ইংল্যান্ডে যাচ্ছেন। ফারুক নিশ্চিত করেছেন, তিনি বোর্ডে আসার আগেই সাকিব ইংল্যান্ডে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছেন। ফলে নতুন করে তাকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। তাকে দেশে ফেরাতে আইনি নোটিশও বিসিবিতে পাঠানো হয়েছে। বিসিবিও পাল্টা নোটিশ পাঠিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। সাফ জানিয়েছেন, দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত সাকিব খেলা চালিয়ে যাবেন।
ফারুক আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে আজ বৃহস্পতিবার সাকিবের মামলা নিয়ে বলেছেন, ‘সাকিবের ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত আগেরটাই। দেশের হয়ে সে খেলা চালিয়ে যাবে। আমরা তাকে ভারত সিরিজেও চাই। সে সেখানেও খেলবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো এফআইআর পর্যায়ে আছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় সে খেলবে। আমরা উকিল নোটিশের জবাবে এটাও বলেছি।’









