ভারতের গ্রেটার নয়ডায় প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান-নিউজিল্যান্ড। কিন্তু কোনও বল না গড়িয়েই একমাত্র সেই টেস্ট পরিত্যক্ত হয়েছে। ভেন্যুর সব সুযোগ সুবিধা মিলে যা অবস্থা; তাতে ভীষণ ক্ষুব্ধ আফগান কোচ জনাথন ট্রট।
ক্রিকেট ইতিহাসে অষ্টমবার কোনও টেস্ট বল না গড়িয়ে পরিত্যক্ত হয়েছে। এশিয়াতে ৯১ বছরে ৭৩০ টেস্ট ম্যাচের ইতিহাসে প্রথমবার এমন ঘটনা দেখা গেলো।
‘হোম ভেন্যু’ হিসেবে আফগানরা সেখানে খেলার আয়োজন করলেও সুযোগ-সুবিধা মোটেও ম্যাচ আয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। প্রতিকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি বাজে ড্রেনেজ সিস্টেম, অদক্ষণ ও অপর্যাপ্ত গ্রাউন্ড স্টাফ, পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাবে দুই দলকেই পুরো টেস্টে হোটেলে বসে কাটাতে হয়েছে। অথচ প্রথম দুই দিন রোদ থাকার পরেও ম্যাচ গড়ানো সম্ভব হয়নি শুধু মাত্র ভেজা আউট ফিল্ডের কারণে। এমন মাঠে টেস্ট আয়োজন নিয়ে পরে হতাশা প্রকাশ করেছেন আফগান দলের কোচ জনাথন ট্রট। টেস্ট পরিত্যক্ত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘আমরা খুবই হতাশ। ছেলেদেরও মন খারাপ। আমরা অনেক অনুশীলন করে নিজেদের উজ্জীবিত রেখেছিলাম।’
তার পর ড্রেনেজ সিস্টেম নিয়ে নিজের অসন্তোষ এভাবেই তুলে ধরেন তিনি, ‘আমার মনে হয় আয়োজকদের জন্য এটা ভালো শিক্ষা। আসলে সব কিছুই নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে মাঠ টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত কিনা। কারণ দিন শেষে এটা টেস্ট ক্রিকেট।মনে হয়, আমরা যখন খেলতে আসি, তখন বোধহয় বিষয়গুলো এভাবেই ধরে নিয়ে করা হয়। যখন ড্রেনেজ, গ্রাউন্ড স্টাফ কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ব্যাপার থাকে, অন্যান্য দেশ কিংবা ভেন্যুর বেলায় কিন্তু সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা থাকে।’
নিউজিল্যান্ডের কোচ গ্যারি স্টিডও হতাশা প্রকাশ করেছেন খেলতে না পেরে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের আগে নিজেদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছেন। স্টিডের কথা, ‘সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে নিজেদের ম্যাচ প্রস্তুতির সুযোগটা হারানো। ছেলেরা ভীষণ হতাশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলার সুযোগ ছিল আমাদের সামনে। এমন সুযোগ বার বার আসে না। ওরা যেভাবে খেলে সেটা অন্যান্য দেশের তুলনায় ভিন্নরকম। এই ধরনের পরিস্থিতিতে খেলা হলে আসলে অনেক কিছু শিখতে পারা যায়।’









