নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড-ভারত ম্যাচের একটি রানআউট নিয়ে চলছে বিতর্ক। ম্যাচের পর সেই হতাশা ফুটে উঠে ভারতীয় স্টার জেমিমাহ রদ্রিগেসের কথায়।
ঘটনাটা ছিল নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ১৪তম ওভারে। দীপ্তি শর্মার বল লং অফে খেলে এক রান নেন অ্যামিলিয়া কার। তখন বল থ্রো না করে উইকেটের কাছে আসতে থাকেন হারমানপ্রীত। একই সময় ওভার ডেকে দীপ্তিকে ক্যাপ ফেরত দেন আম্পায়ার। কিন্তু রানের সুযোগ আছে দেখে তখন দ্বিতীয় রানের জন্য দৌড় লাগান অ্যামিলিয়া ও সোফি ডিভাইন। অ্যামিলিয়া পৌঁছানোর আগেই ডিপ থেকে উইকেটকিপারকে থ্রো করে তাকে রান আউট করে দেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত। অবস্থা দৃষ্টে সেটি পরিষ্কার রানআউট মনে হলে তখন সাজঘরের দিকেও চলে যেতে থাকেন ১৩ রান করা অ্যামিলিয়া। ঠিক তখনই আলোচনার জন্ম দেন চতুর্থ আম্পায়ার। কিউই ব্যাটারকে সীমানার কাছে থামান চতুর্থ আম্পায়ার। কারণ আউট হননি তিনি। ঠিক দ্বিতীয় রান নেওয়ার আগেই ওভার ডেকে ফেলায় বল সঙ্গে সঙ্গে ডেড হয়ে গেছে।
এই ঘটনা নিয়ে ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীতকে আম্পায়ারদের সঙ্গে উত্তেজিত বাক্য বিনিময় করতে দেখা যায়। ম্যাচও বন্ধ থাকে বেশকিছুক্ষণ। পরের ওভারে অবশ্য ঠিকই ১৩ রানে ক্যাচ আউট হন কার। কিন্তু সেই ঘটনার রেশ থাকে ভারতের ৫৮ রানে হেরে যাওয়ার পর। সংবাদ সম্মেলনে আরেক তারকা জেমিমাহ বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডও নিশ্চিত ছিল যে তারা ডাবল রান নিচ্ছে এবং অ্যামেলিয়া কার আউট। তাতে এটাই মনে হয়েছে ওভার তখনও শেষ হয়নি। এবং আমারও তখন ভেবে নেই রানআউট করতে পেরেছি। কিন্তু যা হয়েছে, আসলে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। আমাদের তাতে সমস্যা ছিল না। তবে এটা বলতেই হবে আউট ভেবে অ্যামেলিয়া নিজেও ড্রেসিং রুমের দিকে চলে যেতে থাকায় সিদ্ধান্তটা দৃষ্টিকটূ হয়ে গেছে।’
আম্পায়ারের সঙ্গে ভারতের অধিনায়কের তর্কযুদ্ধে সাত মিনিটের মতো খেলা বন্ধ ছিল। তখন অ্যামিলিয়ার অপরপ্রান্তে ছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক সোফি ডিভাইন। ৫৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। পরে বলেছেন, আম্পায়ার যে ওভার ডেকেছেন সেটা তিনি শোনেননি, ‘আম্পায়ার যে ওভার ডেকেছে সেটা আমি শুনিনি। তবে কখন বল ডেড হবে এটা সম্পূর্ণ আম্পায়ারের বিবেচনা।’ তবে ব্যাপারটাতে ভাগ্যকে সঙ্গে পেয়েছেন বলেই মনে করেন তিনি, ‘ক্রিকেট দেবতা মনে হয় আজ আমাদের সঙ্গে থেকেছে। অনেক সময় এমনটা হয়, তাই নয়কি?’








