ডাম্বুলাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু শেষ দুই ওভারে জয়ের জন্য ক্যারিবীয়দের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে যা কঠিন কিছু নয়। তার ওপর দলটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা ৫ বল আগেই সেটা ছুঁয়ে ফেলেছে। ১৯তম ওভারে ৯ রান নেয় সফরকারী দল। প্রথম বলেই চার মেরে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৮০ রানের লক্ষ্য ক্যারিবীয়রা ৫ উইকেট হারিয়ে নিশ্চিত করেছে।
ডাম্বুলাতে লঙ্কানদের দেওয়া ১৮০ রানকে মামুলি লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই ওপেনার মিলে লঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করে পাওয়ার প্লেতেই তুলে নেয় বিনা উইকেটে ৭৪ রান। ওপেনিংয়ে নেমে দুইজন মিলে ১০৭ রানের জুটি গড়েন। এই জুটির ওপর দাঁড়িয়েই মূলত জয়ের ভিতটা পেয়ে যায় সফরকারীরা। সবমিলিয়ে ৫ উইকেট হারালেও ৫ বল আগেই জয় নিশ্চিত করে তারা। ব্র্যান্ডন কিং ৩৩ বলে খেলেন ৬৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। ম্যাচসেরাও তিনি। প্রায় একই রকম ব্যাটিং করেছেন অপর ওপেনার এভিন লুইস। ২৮ বলে তিনি করেছেন ৫০ রান।
১৬৭ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর শেরফানে রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ড ৮ বলে ১৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ৫ বল আগেই দলকে ৫ উইকেটে জয় এনে দিয়েছেন। লঙ্কান বোলারদের মধ্যে মাথিশা পাথিরানা সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকদের শুরুটা ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লের মধ্যে ২৭ রানে হারায় দুই উইকেট। এরপর তৃতীয় উইকেটে কুশল মেন্ডিস ও কামিন্দু মেন্ডিস মিলে ২৫ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন। কুশল ১৯ রানে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। তিন উইকেট হারানোর পরই মূলত ছন্দ পায় লঙ্কানরা। বিশেষ করে কামিন্দু আর অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার জুটিতে বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে। দু’জনই পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। কামিন্দু ৪০ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হওয়ার আগে ৫২ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন। অন্যদিকে, অধিনায়ক আসালাঙ্কা খেলেন সর্বোচ্চ ৫৯ রানের ইনিংস। এই দুইজনের জোড়া হাফ সেঞ্চুরির ওপর দাঁড়িয়ে শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৭৯ রান।
ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে রোমারিও শেফার্ড ৩৯ রানে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া শামার জোসেফ, আলজারি জোসেফ, শামার স্প্রিংগার ও গুদাকেশ মোটি প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।









