ঢাকার মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের প্রথম টেস্টের শুরুর দিনেই পড়ে গেলো ১৬ উইকেট। ব্যাটাররা কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেননি। দিনটা ছিল বোলারদের। তব উইকেটের এমন আচরণ বিস্মিত করেছে এদিন দ্রুততম ৩০০ টেস্ট উইকেট নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদাকে।
উইয়ান মুল্ডারের বোলিং তোপে শুরুতেই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন। তার সঙ্গে রাবাদা ও বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজও সমান তিনটি উইকেট নিয়েছেন। স্বাগতিকরা গুটিয়ে গেছে ১০৬ রানে।
মুশফিকুর রহিমকে ১১ রানে বোল্ড করে ৩০০তম উইকেটের মাইলফলক ছোঁন রাবাদা। পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনুসকে (১২,৬০২ বল) পেছনে ফেলে রেকর্ড ১১,৮১৭ বলে এই কীর্তি গড়েন তিনি। পরে লিটন দাস ও নাঈম হাসানকে ফিরিয়ে ৩০২ উইকেটের মালিক হন।
জবাবে দিনের খেলা শেষে ৪১ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪০ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রথম দিনেই ব্যাটারদের অসহায়ত্ব আর বোলারদের আধিপত্য অস্বাভাবিক লেগেছে রাবাদার কাছে। তিনি বললেন, ‘উইকেটের আচরণে আমি সত্যিই হতবাক। টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাট ও বলে সুষম প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া উচিত, যেখানে বোলাররা ভালো বল করলে কিছু পাবে এবং ব্যাটাররা ভালো খেললে তারাও রান পাবে।’
তিনি আরও বললেন, ‘প্রথম দিনে ১৬ উইকেট পড়লো, আমি বলবো বোলারদের দিকে ঝুঁকেছে ম্যাচ।’
ডানহাতি পেসার মুল্ডারকে প্রশংসায় ভাসালেন রাবাদা, ‘সে অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাম্পে আসার পর থেকে সে সেরা ফর্মে রয়েছে, কৃতিত্বটা তাকে দিতে হয়। বোঝা যায়, সে কঠোর পরিশ্রম করেছে।’
মাইলফলক প্রসঙ্গে রাবাদা বললেন, ‘সকালে যখন আমরা বোলিং করতে নামলাম, আমি ওই উইকেট নিয়ে সত্যিই ভাবিনি। এই টেস্ট কীভাবে জেতা যায়, সেদিকে মনোযোগী ছিলাম, বিশেষ করে টস হারার পর প্রথমে বোলিং করার পর। তবে যখন এটা হলো, তা ছিল স্বস্তির। প্রত্যেকে মাইলফলকের জন্য খেলে, কিন্তু এটা ছিল স্বস্তির। এটা বিশেষ মুহূর্ত। আমার মনে হয়, এটা আরও ভালো করতে আমাকে উজ্জীবিত করবে।’









