একদিন আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছিলেন, আফগানিস্তান সিরিজে সাকিব আল হাসানের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একদিনের ব্যবধানে সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেলো। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আফগানিস্তান সিরিজে থাকছেন না সাকিব। বাঁহাতি এই অলরাউন্ডারই নাকি আফগানিস্তান সিরিজ খেলতে চাননি।
আগামী ৬ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে হতে যাওয়া এই সিরিজে সাকিব আল হাসান থাকবেন কিনা তা নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। ভারত সফরে কানপুর টেস্টের আগে সাকিব জানিয়েছিলেন, আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে থেকে অবসর নেবেন। তাতে করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ওয়ানডেতে তার থাকার কথা।
কিন্তু বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে লাঞ্চ বিরতিতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘মিরপুরে টেস্ট খেলার জন্য সাকিবকে নিয়ে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। আমাদের পক্ষে বিষয়টি সহজ ছিল না, তবে সবকিছু স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। সাকিবের এখন যে মানসিক অবস্থা এবং ক্রিকেটে ফিরতে সে নিজেই একটু সময় চেয়েছে।’
বিসিবি সভাপতিকে সাকিব জানিয়েছেন টি–টেন লিগ খেলে নিজের ফিটনেস ও ফর্ম যাচাই করতে চান তিনি। ফারুক আহমেদ বলেছেন, ‘সাকিব যদি সেখান থেকে নিজেকে প্রস্তুত মনে করেন, তবে আগামী সিরিজগুলোয় তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত আফগানিস্তান সিরিজে তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মনে হচ্ছে এই সফরটা সে মিস করবে।’
বাংলাদেশ দল এখন চট্টগ্রামে টেস্ট খেলছে। টেস্ট সিরিজ শেষ করেই দল চলে যাবে আরব আমিরাতে। দুই ভাগে দেশ ছাড়বেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। চলতি টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটাররা যাবেন চট্টগ্রামের ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দিন। বাকিরা একদিন আগেই ২ নভেম্বর যাবেন। দুই একদিনের মধ্যেই বিসিবি আফগানিস্তান সিরিজের দল ঘোষণা করবে। আগামী ৬ নভেম্বর শুরু হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। পরের দুটি ম্যাচ ৯ ও ১১ নভেম্বর।









