জাতীয় ক্রিকেট লিগে ১৩৯ রান দূরে থেকে মঙ্গলবার শেষ দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল সিলেট বিভাগ। ক্রিজে ছিলেন ওপেনার পিনাক ঘোষ (২৮) ও নাইটওয়াচ ম্যান রেজাউর রহমান রাজা (১)। তার পর হুট করে দ্রুত বেশ কিছু উইকেট হারালে পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে যায় সিলেট। সেখান থেকে পেসার রাজা প্রথমবার নিজের ব্যাটিং সত্ত্বার পরিচয় দিয়ে জয় পেতে ভূমিকা রেখেছেন। তার হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে সিলেট।
বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সোমবার শেষ বিকালে ১৯০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে সিলেট সংগ্রহ করেছিল ৫১ রান। জয় থেকে ১৩৯ রান দূরে থেকে মঙ্গলবার ব্যাটিংয়ে নামে তারা। পিনাক ঘোষ (২৮) ও রেজাউর রহমান রাজা (১) ইনিংসের গোড়াপত্তন করেছিলেন। ৫৬ রানের জুটির পর ৪২ রান করে আউট হন পিনাক। এরপরই অমিত হাসানের সঙ্গে আরও ৫০ রানের জুটি হয় রাজার। ২৫ বছর বয়সী এই পেসার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেতো বটেই সব ফরম্যাট মিলিয়ে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলেছেন। ১১৭ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। আগেরদিন নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নেমে আজকে নিজের ব্যাটিং প্রতিভা দেখিয়েছেন রাজা।
২৫ বছর বয়সী এই পেসারের আউটের পর মুবিন আহমেদ (০) ও রাহাতুল ফেরদৌস (০) রানে ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়ে সিলেট। যদিও অমিত ও আসাদুল্লাহ আল গালিব অবিচ্ছিন্ন ৪২ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। অমিত ৩৭ ও গালিব ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
রংপুরের বোলারদের মধ্যে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া আবু হাসিম, রবিউল হক ও নাঈম ইসলাম প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রান করতে পারে রংপুর। সিলেটের ইনিংস থামে ১৮৯ রানে। দ্বিতীয় দিনেই ৩১ রানে পিছিয়ে থেকে রংপুর দ্বিতীয় ইনিংসে ২২০ রান সংগ্রহ করেছে। তাতে করে সিলেটের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯০ রানের।









