মোহাম্মদ আশরাফুল হাসানের ঘূর্ণিজাদুতে তিন দিনেই ম্যাচ জিতলো চট্টগ্রাম। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁহাতি এই স্পিনারের জাদুতে খেই হারায় বরিশাল। দুই ইনিংস মিলিয়ে আশরাফুল জুনিয়র তুলে নিয়েছেন দশ উইকেট। তৃতীয় দিনে ৮২ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল চট্টগ্রাম। সেই লক্ষ্য ২ উইকেট হারিয়ে ছুঁয়ে ফেলে স্বাগতিক বিভাগ।
বরিশালের করা ৩১৮ রানের জবাবে চট্টগ্রাম ব্যাটিং করতে নেমে ৩১৩ রানে অলআউট হয়। দ্বিতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০২ রান ছিল। সোমবার ১১৬ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে তারা। তবে লিড থেকে ৫ রান দূরে থাকতে অলআউট হয়ে যায় চট্টগ্রাম। আগের দিন ৬৪ রানে অপরাজিত থাকা শাহাদাত হোসেন দিপু খেলেছেন ১১৬ রানের ইনিংস। অন্যদিকে ৮১ রানে অপরাজিত ইয়াসির সেঞ্চুরি মিস করেছেন। ৯৯ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
বরিশালের বোলারদের মধ্যে তানভীর ইসলাম ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া তিনটি রুয়েল মিয়া ও দুটি সোহাগ গাজী নেন।
৫ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বরিশাল। কিন্তু আশরাফুলের ঘূর্ণির কবলে পড়ে ৭৭ রানে অলআউট হয় তারা। দলটির দুইজন ব্যাটার কেবল দুই অঙ্কের ঘরে রান করেছেন। ফজলে মাহমুদ রাব্বি ৩৩ এবং ইফতেখার হোসেন ইফতি ১২ রানের ইনিংস খেলেন। সবমিলিয়ে ৮২ রানের লক্ষ্য দিতে পারে বরিশাল।
চট্টগ্রামের হয়ে আশরাফুল নেন ছয়টি উইকেট। ৮.৩ ওভারে ২২ রান খরচায় ৬ উইকেট শিকার করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। এছাড়া নাঈম হাসান নেন তিনটি উইকেট।
৮২ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে চট্টগ্রাম। পারভেজ হোসেন ইমন ৪৬ ও নাঈম হাসান ৩০ রানের ইনিংস খেলে জয় তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। বরিশালের সোহাগ গাজী ও তানভীর ইসলাম প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
কক্সবাজারে আগে ব্যাটিং করে বরিশাল মঈন খানের ৭৭ ও তাসামুল হকের ৫৩ রানের ওপর দাঁড়িয়ে প্রথম ইনিংসে ৩১৮ রান সংগ্রহ করে। বরিশালের স্কোরটাকে বেশি বড় হতে দেননি বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল। প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানে ৪ উইকেট নেন এই বোলার।









