বরিশালের দেওয়া প্রথম ইনিংসে ৩৩৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে রংপুর বিভাগও সমানে সমান লড়াই করেছে। সোমবার রংপুর ৩২২ রান করে অলআউট হয়। ১৪ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে বরিশাল এক উইকেট হারিয়ে ১১৯ রানে তৃতীয় দিন শেষ করেছে। ১৩৩ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নামবে তারা। ম্যাচের যে পরিস্থিতি, তাতে রোমাঞ্চকর শেষ দিনের অপেক্ষা করছে দুই দল।
শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে বরিশালের তিনশ ছাড়ানো ইনিংসের জবাবে সোমবার ৫ উইকেটে ২১৮ রানে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর। ১১৮ রান পিছিয়ে ছিল তারা। অল্পের জন্য লিড নিতে পারেনি দলটি। সর্বোচ্চ ৬৫ রান আসে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ব্যাট থেকে। এছাড়া নাঈম ইসলাম ৪০, আরিফুল হক ৩৮ ও তানভীর হায়দার করেন ৩১ রান।
বরিশালের বোলারদের মধ্যে রুয়েল মিয়া ও মঈন খান প্রত্যেকে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। মহিউদ্দিন তারেক নেন দুটি উইকেট।
১৪ রানে এগিয়ে থেকে বরিশাল নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করেছে। দুই ওপেনার আব্দুল মজিদ ও ইফতেখার হোসেন ইফতি মিলে ১১৮ রানের জুটি গড়েন। মজিদ ৫১ রান করে আউট হলেও বাকি সময়টাতে আর উইকেট হারায়নি রংপুর। আলোক স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই খেলা শেষ হয়ে যায়। ইফতি ৬০ রানে অপরাজিত আছেন। আদিল বিন সিদ্দীক এক বল খেলে এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি। মঙ্গলবার ১৩৩ রান এগিয়ে থেকে নতুন করে শুরু করবে রংপুর। প্রথম সেশনে ভালো ব্যাটিং করে ইনিংস ঘোষণা করতে পারলে ম্যাচটি রোমাঞ্চ ছড়াবে বলেই ধারণা।
রংপুরের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। ৩৮.৪ ওভারে দলটির অধিনায়ক আকবর আলী তার আট বোলারকে ব্যবহার করেছেন। নিজে উইকেট কিপার হয়েও বোলিং করেছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইফতেখার হোসেন ইফতি (৭০), সালমান হোসেন (৬৭), তানভীর ইসলাম (৫২) ও তাসামুল হকের (৫১) ফিফটিতে দাঁড়িয়ে বরিশাল তিনশর বেশি স্কোর করে।









