প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিং ধস দেখেছিল পাকিস্তান। হারে সিরিজ শুরু করা সফরকারী দল অবশ্য দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে পাকিস্তান।
বুলাওয়েতে এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। পাকিস্তানের স্পিনারদের সামনে খেই হারায় দলটির ইনিংস। টস জিতে ব্যাটিং নিয়েও মাত্র ৩২.৩ ওভারে ১৪৫ রানে তারা গুটিয়ে গেছে। ২৩ রানেই হারায় দুই ওপেনারকে। তার পর দারুণ জবাব দিচ্ছিলেন ডিওন মেয়ার্স। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং আশার সঞ্চার করতে থাকে। কিন্তু ৩০ বলে ৬ চারে ৩৩ রান করা মায়ার্স তৃতীয় উইকেট হিসেবে ফিরতেই আবার দিশা হারায় দলটির ইনিংস। তার পর পর বিদায় নেন ক্রেইগ আরভিনও। তার পরও জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন সিকান্দার রাজা ও শন উইয়ামস। তাদের জুটি বেশি দূর যেতে দেননি সালমান। রাজাকে ১৪ রানে ফিরিয়ে আবার ছন্দপতন ঘটান আগা সালমান। শন উইলিয়ামস দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ৩১ রানে তাকে ফিরিয়ে স্বাগতিকদের আরও বিপদে ফেলেন আইয়ুব। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ে দিশা হারালে ১৪৫ রানেই শেষ হয় দলটির ইনিংস।
৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ। ২৬ রানে তিনটি নেন সালমান আগা। তাছাড়া একটি করে নিয়েছেন সাইম আইয়ুব ও ফয়সাল আকরাম।
তার পর কোনও উইকেট না হারিয়ে টি-টোয়েন্টি মেজাজে ম্যাচ শেষ করেছে পাকিস্তান। ওপেনার সাইম আইয়ুবই ছিলেন মূল কারিগর। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ১৮.২ ওভারে ম্যাচের ইতি টেনেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ৫৩ বলে। যা পাকিস্তানের হয়ে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির। শেষ পর্যন্ত ৬২ বলে ১৭ চার ও ৩ ছক্কায় ১১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচসেরাও তিনি। সঙ্গী আব্দুল্লাহ শফিক ছিলেন ধীরস্থির। তিনি ৪৮ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন।









