সংক্ষিপ্ত স্কোর: ৩য় দিনের খেলা,
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৪১.৪ ওভারে ১৯৩/৫ (তাইজুল ৯*, জাকের ২৯*, লিটন ২৫, মিরাজ ৪২, সাদমান ৪৬, দিপু ২৮, জয় ০)
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬৪.৬ ওভারে ১৪৬/১০ (সিলস ৮*, রোচ ৮, শামার ৫, আলজারি ৭, কার্টি ৪০, ডা সিলভা ৫, গ্রিভস ২, আথানেজ ২, হজ ৩, ব্র্যাথওয়েট ৩৯, লুইস ১২)
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৭১.৫ ওভারে ১৬৪/১০ (নাহিদ ০*, হাসান ৫, মিরাজ ৩৬, তাসকিন ৮, তাইজুল ১৬, সাদমান ৬৪, জাকের ১, লিটন ১, দিপু ২২, জয় ৩, মুমিনুল ০)
জ্যামাইকা টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ইনিংসেই বোলারদের দাপট দেখানো পিচে চলছে ব্যাটারদের আধিপত্য। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৯৩ রান করেছে। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে তাদের লিড ২১১ রানের।
ইতোমধ্যেই জেতার মতো রান করে ফেলেছে বাংলাদেশ! পরিসংখ্যান বলছে সেই কথা। কারণ জ্যামাইকার এই পিচে সর্বোচ্চ ২১২ রান তাড়া করে সফল হওয়ার রেকর্ড আছে। মানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নতুন রেকর্ড গড়তে হবে।
১৪ উইকেট পড়ার দিনে দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় সেশনের ২০ মিনিটের মধ্যে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ উইকেট তুলে নেন, পাঁচ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন নাহিদ রানা। প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানের জবাবে বাংলাদেশের কাছে ১৪৬ রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৮ রানের লিড পায় সফরকারীরা।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেই মাহমুদুল হাসান জয় ডাক মারেন। তারপর সাদমান ইসলামের সঙ্গে শাহাদাত হোসেন দিপু ৪৭ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৭০ রানের জুটি গড়েন। শেষ সেশনে লিটন দাসের সঙ্গে জাকের আলীর ৪১ রানের জুটিতে শক্ত অবস্থান নেয় বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান। ৪২ রান আসে মিরাজের ব্যাট থেকে।
বাংলাদেশের লিড দুইশ ছাড়ালো
প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রান করার পর বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪৬ রানে অলআউট করে। ১৮ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে তারা। সেই লিড দুইশ ছাড়িয়ে গেলো জাকের আলী ও তাইজুল ইসলামের জুটিতে।
২৫ রানে বোল্ড লিটন
জাস্টিন গ্রিভসের স্লোয়ার বল মাটিতে পড়ে হুট করে বাঁক খেলো। লিটন দাস ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন। তাকে হতবাক করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক গলে অফস্টাম্পে আঘাত করে বল। ৩৪ বলে তিন চারে ২৫ রানে থামলেন লিটন। জাকের আলীর সঙ্গে তার জুটি ছিল ৪১ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারালো বাংলাদেশ।
দারুণ ইনিংস খেলে মিরাজের বিদায়
মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাসের জুটি ১৫ রানের বেশি হয়নি। ৩৯ বলে সাত চারে ৪২ রান করে মিরাজ শামার জোসেফের শিকার হন তিনি। জশুয়া ডা সিলভার ক্যাচ হন মিরাজ।
সাদমানের টানা দ্বিতীয় ফিফটি হলো না
টানা দ্বিতীয় ফিফটি থেকে চার রান দূরে ছিলেন সাদামন ইসলাম। কিন্তু শামার জোসেফের বল তার ব্যাটে লেগে জশুয়া ডা সিলভার গ্লাভসে জমা হয়। ৮২ বলে সাত চারে ৪৬ রান করেন তিনি। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৭৪ বলে ৭০ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১১৭ রানে তিন উইকেট হারালো বাংলাদেশ।
১২৮ রানের লিড নিয়ে চা বিরতিতে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় সেশনেও চললো বাংলাদেশের দাপট। শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাকি ২ উইকেট নিয়ে প্রথম ইনিংসে তারা ১৮ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই লিড বেড়ে দাঁড়ালো ১২৮ রানে। শাহাদাত হোসেন দিপুর আক্রমণাত্মক ২৮ রানের পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাদমান ইসলামের আগ্রাসী জুটিতে চা বিরতির আগে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১১০ রান। সাদমান ৪৪ ও মিরাজ ২৬ রানে অপরাজিত আছেন। এই সেশনে ২৩ ওভারের খেলায় এসেছে ১২১ রান, উইকেট পড়েছে চারটি।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। পঞ্চম বলে মাহমুদুল হাসান জয় মাঠ ছাড়েন। তারপর সাদমানকে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি গড়ে দলকে স্বস্তিকর অবস্থায় নেন দিপু। তিনি আউট হলে মিরাজ ও সাদমান ৬২ বলে ৬৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দ্বিতীয় সেশন শেষ করেছেন।
মিরাজ-সাদমান জুটির হাফ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের লিড একশ ছাড়ালো
সাদমান ইসলামের সঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজের জুটিতে বাংলাদেশের লিড ১০০ ছাড়ালো। এছাড়া তারা ক্রিজে থেকে ২৯ বলেই ৫০ রান তুলে ফেলেছেন।
২৮ রানে দিপুর বিদায়
আলজারি জোসেফের বল আকাশের দিকে মারলেন শাহাদাত হোসেন দিপু। ঠাণ্ডা মাথায় মিড অফে দাঁড়িয়ে থেকে বল তালুবন্দি করলেন জেইডেন সিলস। ৫৮ বলে ৪৭ রানের দারুণ এক জুটি ভেঙে গেলো। ২৬ বলে চারটি চারে ২৮ রানে থামলেন দিপু।
জীবন পেলেন দিপু, বাংলাদেশের লিড পঞ্চাশ ছাড়ালো
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন শাহাদাত হোসেন দিপু। প্রথম ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ক্রিজে নামেন তিনি। তিনটি চার মেরে আক্রমণাত্মক দিপু সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কাভারে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের হাত ফসকে জীবন পেলেন, তখন তার রান ছিল ১৮। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের লিড পঞ্চাশ ছাড়িয়ে গেছে।
রানের খাতা না খুলেই ভাঙলো বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি
প্রথম ইনিংসে অবিশ্বাস্য বোলিং করা জেইডেন সিলস ভাঙলেন বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। কোনও রান না করতেই তারা প্রথম উইকেট হারালো। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসারের বলে দ্বিতীয় স্লিপে মাহমুদুল হাসান জয়ের আলিক আথানেজ ক্যাচ নেন।
নাহিদের পঞ্চম উইকেটে বাংলাদেশের ১৮ রানের লিড
টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নিতে একটি উইকেটের দরকার ছিল নাহিদ রানার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছিলও একটি উইকেট। বাংলাদেশের ২২ বছর বয়সী পেসার মরিয়া ছিলেন সেটি পাওয়ার জন্য। দ্বিতীয় সেশনের তৃতীয় ওভারে কেমার রোচকে এলবিডব্লিউ করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেলেন। ৬১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেন নাহিদ। ১৪৬ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুটিয়ে দিয়ে ১৮ রানের লিড পেলো বাংলাদেশ।
১ উইকেটে ৭০ রানে সোমবার খেলা শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে ৩৯ রানে ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু আনেন নাহিদ। দুর্দান্ত বোলিং ধরে রেখে প্রথম সেশনে আরও তিন উইকেট নেন তিনি। ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে লাঞ্চে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাকি দুই উইকেট তারা হারায় আর ১১ রান করে। উইন্ডিজের পক্ষে কিসি কার্টি করেন সর্বোচ্চ ৪০ রান। শেষ আট ব্যাটারের সবাই এক অঙ্কের ঘরেই থেমেছেন।
এনিয়ে দ্বিতীয়বার দুইশর কম রান করেও বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছে। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯২ রান করে তারা ২২ রানের লিড পেয়েছিল।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই মিরাজের আঘাত
জ্যামাইকার টেস্টের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনেই নবম উইকেট মিললো। লাঞ্চের পর দ্বিতীয় সেশনে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন শামার জোসেফ। ১৩৬ রানে ৯ উইকেট নেই উইন্ডিজের। শামার ৫ রান করেন।
প্রথম সেশনে ব্যাকফুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ
১ উইকেটে ৭০ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে। কিসি কার্টিকে নিয়ে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে মাঠে নামেন। সোমবার আর ১৫ রান যোগ হতেই ভাঙে এই জুটি। ৮৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো দলটি নাহিদ রানার বোলিং তোপে পড়ে প্রথম সেশনে ব্যাকফুটে। ডানহাতি পেসার তুলে নেন চার উইকেট। এছাড়া হাসান মাহমুদ জোড়া আঘাত হানেন। এই সেশনে ওয়েস্ট্ ইন্ডিজ করেছে ৬৫ রান, বাংলাদেশ নিয়েছে সাত উইকেট।
৮ উইকেটে ১৩৫ রানে লাঞ্চে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। লিডের স্বপ্ন নিয়ে দ্বিতীয় সেশন শুরু করবে বাংলাদেশ।
নাহিদের চতুর্থ শিকার আলজারি
দুর্দান্ত বোলিংয়ে নাহিদ রানা তার চতুর্থ উইকেট তুলে নিলেন। বাংলাদেশি পেসারের ১৫তম ওভারে ফুল টস বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দেন আলজারি জোসেফ। ৭ রান করেন তিনি। ১২৩ রানে ৮ উইকেট হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
হাসানের দ্বিতীয় শিকার কার্টি
দুই ওভারে তিন বলের মধ্যে দুটি উইকেট পেলেন হাসান মাহমুদ। ১১৭ রানে সাত উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশনেই ব্যাকফুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জশুয়া ডা সিলভাকে এলবিডব্লিউ করার পর দাঁত কামড়ে ক্রিজে পড়ে থাকা কিসি কার্টিকে ফেরালেন হাসান। ১১৫ বলে ১ চারে ৪০ রান করেন উইন্ডিজ ব্যাটার। তার বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের আবেদন আম্পায়ার নাকচ করলে বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। তাতে সফল হয় তারা, সূক্ষ্ম আউটসাইড এজ হয়ে লিটনের গ্লাভসবন্দি হন কার্টি। এই সেশনে ৩২ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারালো স্বাগতিকরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ষষ্ঠ উইকেট পেলেন হাসান
বাংলাদেশের ১৬৪ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে চাপে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় দিন সকালে দ্রুত আরও পাঁচ উইকেট হারালো তারা। হাসান মাহমুদের বলে জশুয়া ডা সিলভা ষষ্ঠ ব্যাটার হয়ে প্যাভিলিয়নে। ৫ রানে এলবিডব্লিউ হলেন তিনি। ১১৪ রানে ছয় উইকেট নেই স্বাগতিকদের।
তাইজুলের শিকার গ্রিভস
দুই পেসার নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদের পর স্পিনার তাইজুল ইসলামও সাফল্য পেলেন। অ্যান্টিগা টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান জাস্টিন গ্রিভসকে মাত্র ২ রানে বোল্ড করেছেন তিনি। ১০৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারালো ক্যারিবিয়ানরা।
তাসকিন পেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ উইকেট
তাসকিন আহমেদ ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নিলেন। দলীয় ১০০ রানে আলিক আথানেজকে বোল্ড করলেন তিনি। বাংলাদেশের পেসারের বলে মাত্র ২ রানে আউট উইন্ডিজ ব্যাটার।
তাসকিনের মিসের পর লিটনের দুর্দান্ত ক্যাচ হলেন হজ
৪৫তম ওভারের চতুর্থ বলেই কাভেম হজের প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটার কথা। নাহিদ রানার বল টপ এজ হয়ে ফাইন লেগে তাসকিন আহমেদের হাত ফসকায়। লিটন দাসও ক্যাচ নিতে সেদিকে ছুটেছিলেন। কিন্তু তাসকিনের হাতেই দায়িত্ব ছেড়ে দেন। অবশ্য দুই বল পরই হজকে থামতে হয়। বল আউটসাইড এজ হয়ে পেছনে ছোটে। লিটন ডানদিকে ঝাঁপিয়ে বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে তা ধরে ফেলেন। ৯৪ রানে ৩ উইকেট হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১২ বল খেলে ৩ রান করেন হজ।
৩৯ রানে ব্র্যাথওয়েটকে ফেরালেন নাহিদ
কিসি কার্টির সঙ্গে ৬০ রান যোগ করে থামলেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। নাহিদ রানার দারুণ লেংথের বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক গালিতে বদলি ফিল্ডার জাকির হাসানের ক্যাচ হন। ১২৯ বলে ৩ চারে ৩৯ রান করেন তিনি। ৮৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্রুত আটকে দেওয়ার লক্ষ্যে মাঠে বাংলাদেশ
৯৪ রানে পিছিয়ে থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সোমবার তৃতীয় দিন ক্রিজে নেমেছে। ১ উইকেটে তাদের রান ৭০। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলেছেন, ‘আমরা গতকাল ভালো জায়গায় বল করতে পারিনি। আজ আমরা ভালো জায়গায় বল করা নিশ্চিত করতে চাই।’ মূলত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যত দ্রুত আটকে দেওয়া যায় সেটাই বাংলাদেশের পরিকল্পনা।
দিন শেষে ৯৪ রানে পিছিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
জ্যামাইকা টেস্টে বাংলাদেশের ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যদিও দিন শেষে তারা ৯৪ রানে পিছিয়ে। বাংলাদেশের করা ১৬৪ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তাদের স্কোর ১ উইকেটে ৭০ রান। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ৩৩ ও কিসি কার্টি ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। দুজনের জুটি ৪৫ রানের, বল খেলেছে ১৪৪টি।
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ খেলা শুরু করেছিল ২ উইকেটে ৬৯ রানে। সাদমান ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন দিপু দিন শুরু করেন। শামার জোসেফের আগুন বোলিংয়ে ১৫ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাদমান ৬৪ রান করেছিলেন। তার ইনিংসই ছিল দিন শেষে সর্বোচ্চ।
৯৮ রানে বাংলাদেশের ছয় উইকেট পড়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের প্রতিরোধ টেনেটুনে লাঞ্চের পর আধঘণ্টা পার করে। এই জুটি ভেঙে ব্রেকথ্রু আনেন আলজারি জোসেফ। তারপর সিলস বাকি তিন উইকেট তুলে নেন। শুরু থেকে মিতব্যয়ী বোলিংয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখা এই পেসার বোলিং ফিগার চোখে পড়ার মতো। ১৫.৫ ওভার বোলিং করে মাত্র ৫ রান দেন তিনি, মেডেন ১০ ওভার! উইকেটও নিয়েছেন সর্বোচ্চ চারটি। বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ১৬৪ রানে।
জবাব দিতে নেমে চা বিরতির আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ ওভারে করে ১৬ রান। শেষ সেশনের শুরুতে নাহিদ রানা ফেরান মিকাইল লুইসকে। তারপর আর কোনও উইকেট হারায়নি উইন্ডিজ। যদিও শেষ দিকে মিরাজের এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন ব্র্যাথওয়েটকে। ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক রিভিউ নিয়ে টিকে যান।









