জয়ের খোঁজে নেমে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ছাপিয়ে গেলো দুর্বার রাজশাহী। ব্যাটিং-বোলিংয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ৬৫ রানে জিতেছে তারা। সাত ম্যাচে তৃতীয় জয়ে তারা বিপিএলের পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে গেলো, পেছনে ফেললো খুলনা টাইগার্সকে।
চট্টগ্রামে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে শুরু থেকে আগ্রাসী ছিলো রাজশাহী। চতুর্থ ওভারে ২৯ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। মোহাম্মদ হারিস ২ ছয়ে ১৯ রান করেন। অবশ্য পাওয়ার প্লেতে আর কোনও উইকেট না হারালেও ৩৮ রানের বেশি হয়নি।
পঞ্চাশ পার হওয়ার পরপর জিশান আলম (২০) থামেন। এনামুল হক বিজয় ২২ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩২ রানের ইনিংস খেলে থামেন। রায়ান বার্ল তার সঙ্গে ৩৫ ও ইয়াসির আলীকে নিয়ে ৩৮ রানের কার্যকরী জুটি গড়েন।
২৭ বলে ১ চার ও ৪ ছয়ে ৪১ রানের সেরা ইনিংস খেলেন বার্ল। ১৬তম ওভারে স্কোর দেড়শ পার করে থামেন তিনি। নিহাদুজ্জামানের বলে আউট হন জিম্বাবুয়ান ব্যাটার। পরের ওভারে ইয়াসিরকেও (১৯) থামান রাজশাহীর এই বোলার।
শেষ দিকে আকবর আলীর হার না মানা ১৪ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ১২ রানের সৌজন্যে স্কোর ৭ উইকেটে ১৮৪ হয়।
রুয়েল মিয়া সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি করে পান নাহিদুল ইসলাম ও নিহাদুজ্জামান।
লক্ষ্যে নেমে ১৩ রানে দুই ওপেনারকে হারায় সিলেট। দুটি উইকেটই নেন সানজামুল ইসলাম। এরপর জাকির হাসান ও জর্জ মানসির ৫৮ রানের জুটিতে ধাক্কা সামলে উঠেছিল তারা। জাকির ইনিংস সেরা ৩৯ রানে আউট হলে আবার বিপর্যয় দেখে দলটি।
আফতাব আলম, তাসকিন আহমেদ ও মৃত্যুঞ্জয়ের বোলিংয়ে আর টিকতে পারেনি সিলেট। জাকের আলী ২০ বলে ৩ চারে ৩১ রান করেন। এছাড়া মানসি (২০) কেবল দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। ১৭.৩ ওভারে ১১৯ রানে অলআউট হয় সিলেট।
সানজামুল সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি করে পান তাসকিন, মৃত্যুঞ্জয় ও আফতাব।
সাত ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট নেমে গেছে ষষ্ঠ স্থানে।









