চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতির আগেই স্পষ্ট হয়ে যায় সব কিছু। শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅনে পাঠানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসেও স্থায়ী হয়নি স্বাগতিকদের প্রতিরোধ। প্রথম টেস্টে তাদের এক ইনিংস ও ২৪২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। যা টেস্টে লঙ্কানদের সবচেয়ে বড় হারের নজির।
আগের বাজে হারটি ছিল ২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে নাগপুরে। সেবার এক ইনিংস ও ২৩৯ রানে হারে শ্রীলঙ্কা। এটা আবার লঙ্কানদের বিপক্ষে অজিদের সবচেয়ে বড় জয়।
ফলোঅনে পাঠানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা ২৪৭ রানেই গুটিয়ে গেছে। যার পেছনে অন্যতম অবদান বামহাতি স্পিনার ম্যাথু কুনেমানের। এই ইনিংসে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। মোট দুই ইনিংসে ৯টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাছাড়া আরেক অফস্পিনার নাথান লায়নও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন সমান ৪ উইকেট।
বৃষ্টি বিঘ্নিত তৃতীয় দিনে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৩৬ রানে দিন শেষ করে লঙ্কান দল। কিন্তু চতুর্থ দিনে খেলতে নামলে ৪৫ মিনিটে শেষ হয় দলটির ইনিংস। ৯ রানে হারায় বাকি ৫ উইকেট! প্রথম ইনিংসে তারা অলআউট হয় ১৬৫ রানে। কুনেমান একাই নেন ৫ উইকেট। তিনটি নেন লায়ন। দুটি নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক।
শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নামলে লাঞ্চের আগেই হারায় তিন উইকেট। দুই ইনিংস মিলে প্রথম সেশনে পড়েছে মোট ৮ উইকেট। তার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন কামিন্দু মেন্ডিস (৩২), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (৪১), ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (৩৯), কুশল মেন্ডিস (৩৪)। যদিও সেসব বেশিক্ষণ স্থায়ী ছিল না। লেগ স্পিনার জেফরে ভ্যান্ডারসে অবশ্য দ্রুত গতিতে হাফসেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেণ। তার আউটেই শেষ হয় লঙ্কানদের ইনিংস। ভ্যান্ডারসের ৪৭ বলের ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ২ ছক্কার মার। তিনি আউট হন ৫৩ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া ৬৫৪/৬ ডি. (খাজা ২৩২, স্মিথ ১৪১, ইংলিস ১০২; ভ্যান্ডারসে ৩/১৮২, জয়াসুরিয়া ৩/১৯৩)
শ্রীলঙ্কা: ১৬৫ (চান্ডিমাল ৭২; কুনেমান ৫/৬৩) ও ২৪৭ (ভ্যান্ডারসে ৫৩, ম্যাথুজ ৪১; লায়ন ৪/৭৮, কুনেমান ৪/৮৬)
ফল: অস্ট্রেলিয়া এক ইনিংস ও ২৪২ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: উসমান খাজা।








