চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের আগে এবার আলোচিত ইস্যুটি লড়াই সংশ্লিষ্ট নয়। সেটা হচ্ছে ভ্রমণক্লান্তি! হাইব্রিড মডেলে শুধুমাত্র ভারত এক ভেন্যুতে খেললেও বার বার ভ্রমণজনিত জটিলতার মুখে পড়ছে অন্যদল। তাও আবার সেটা দুই দেশে যাতায়াতের মাধ্যমে। নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচটিই যেমন পাকিস্তানে হচ্ছে। এই লড়াইয়ের বিজয়ী দলকে আবার ফাইনাল খেলতে দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দিতে হবে। বুধবার বিকাল ৩টায় ম্যাচটা সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।
সোমবার দুই পৃথক বিমানে করে দুবাই থেকে লাহোরে পৌঁছেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। কিউইরা ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলে সোমবার সকালে পৌঁছেছে। আর দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ না থাকার পরও সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ বিবেচনায় দুবাই সফর করে সন্ধ্যার দিকে ফিরেছে। যেহেতু ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল কে কার মুখোমুখি।
ব্ল্যাক ক্যাপসরা ম্যাচ শেষ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুবাই ছেড়েছে। তাই সংবাদ সম্মেলনে ভ্রমণ ক্লান্তিতে অবসন্ন দেখাচ্ছিল অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারকে। তার পরেও ভ্রমণ ক্লান্তি ও সূচির ধরণের বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চাননি তিনি, ‘আমার মনে হয় সময়সূচি সংক্রান্ত বিষয়টি সবখানেই রয়েছে। যখন বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকে, তখন সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ খরে দ্রুত পর পর ম্যাচ হলে। ওয়ানডে ম্যাচ শরীরের জন্য বেশ ক্লান্তিকারক হতে পারে, তাই আমাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বোলাররা আজ (মঙ্গলবার) যেন কালকের (বুধবার) ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।’
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের সব খেলোয়াড় অনুশীলনে অংশ নিলেও অল্পের মধ্যেই সেটা সেরেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা একই ভেন্যুতে আলোতে নিজেদের অনুশীলন চালিয়েছে।
ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমাও ভ্রমণের বিষয়টিকে অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি হলেন না। তবে লজিস্টিক বিষয়গুলো আরও কার্যকর হতে পারতো বলে মনে করেন তিনি, ‘আমি মনে করি, লজিস্টিক বিষয়গুলো আরও কার্যকর হতে পারতো। তবে আমরা বিষয়টা নিজেদের প্রস্তুতির জন্য অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছি না। আমাদের মনোযোগ সেমিফাইনালের দিকে। এবং কী করণী সেসবের দিকে।’
দুই দলই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে একবার। ১৯৯৮ সালে উদ্বোধনী আসরটি জিতেছে প্রোটিয়ারা। তার পর ২০০০ সালের আসরটি জিতেছে নিউজিল্যান্ড। এই দুল দল আবার ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নকআউটে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে।








