আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান তো এমনই। এক ম্যাচে অবাক হওয়ার মতো কিছু করে দেখানো তো আরেক ম্যাচে অবিশ্বাস্যভাবে পরাস্ত হওয়া। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে দাপট দেখিয়ে হারাতে পারলেও চতুর্থ ম্যাচে ভঙ্গুর এক পাকিস্তানকেই দেখা গেছে। তাতে ১১৫ রানের জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখে (৩-১) নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড।
এই পরাজয় আবার রানের হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বনিম্ন! আগের রেকর্ডটি ছিল ৯৫ রানের। ৯ বছর আগে কিউইদের বিপক্ষেই ওয়েলিংটনে এই ব্যবধানে হার দেখেছিল পাকিস্তান।
২২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান। প্রথম ওভারে দুটি নেন জ্যাকব ডাফি। তার প্রথম শিকার ছিলেন হাসান নওয়াজ। যিনি দুই দিন আগে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে সিরিজে অক্ষত রেখেছিলেন। কিন্তু কিউই বোলিং তোপে তার পর একশর নিচে অলআউটের শঙ্কায় পড়ে যায় তারা। ৫৬ রানে হারায় অষ্টম উইকেট। শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি অলরাউন্ডার আব্দুল সামাদের প্রতিরোধে। তিনি ৩০ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলায় ইনিংসটা ১০৫ রান পর্যন্ত গেছে। ১৬.২ ওভারে শেষ উইকেট হিসেবে আউট হন তিনি। তাছাড়া ডাবল ফিগারে রান করেছেন ইরফান খান (২৪)।
কিউইদের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন ডাফি। ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। জ্যাক ফোকস ২৫ রানে নিয়েছেন তিনটি।
এর আগে টস হেরে ৬ উইকেটে ২২০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড। ওপেনিং জুটিতে ৫৯ রান যোগ করেন টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন। অ্যালেন ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ২০ বলে করেন ৫০। ম্যাচসেরাও তিনি। সেইফার্ট ২২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেছেন ৪৪ রানের ইনিংস।
তাছাড়া মার্ক চ্যাপম্যান ২৪ ও ড্যারিল মিচেল খেলেছেন ২৯ রানের ইনিংস। তবে ডেথে কার্যকরী ব্যাটিংটা করেছেন অধিনায়ক মাইকেল ব্রেসওয়েল। ২৬ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ২টি ছয়ের মার।
পাকিস্তানের হয়ে ২৭ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন পেসার হারিস রউফ। ৪১ রানে দুটি নিয়েছেন আবরার আহমেদ।









