আইপিএল লিগ পর্বে দাপট দেখানো পাঞ্জাব কিংস প্রথম কোয়ালিফায়ারে পাত্তা পেলো না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে। চন্ডীগড়ের মুল্লানপুরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রতিপক্ষ বোলারদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে তারা। ৬০ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতে চতুর্থবার ফাইনালে বেঙ্গালুরু। ২০১৬ সালে শেষবার শিরোপার লড়াইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারে তারা।
জশ হ্যাজেলউডের আগুন বোলিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান করে বেঙ্গালুরু। ৩৮ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের চার ব্যাটারের দুজনকে ফেরান অস্ট্রেলিয়ান পেসার।
দুই ওপেনার প্রিয়ানশ আরিয়া (৭) ও প্রভসিমরান সিংকে (১৮) যশ দয়াল ও ভুবনেশ্বর কুমার প্যাভিলিয়নে পাঠান। তারপর টানা দুই ওভারে শ্রেয়াস আইয়ার ও জশ ইংলিসকে নিজের শিকার বানান হ্যাজেলউড।
এরপর সুয়াশ শর্মা প্রথম ওভারে বল করতে নেমে জোড়া আঘাত করেন। শশাঙ্ক সিং (৩) ও মুশির খানকে শূন্য হাতে ফেরান নবম ওভারে।
৬০ রানে সাত উইকেট হারায় পাঞ্জাব। একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ২০-এর ঘর পার করা মার্কাস স্টয়নিসকে (২৬) নিজের দ্বিতীয় ওভারে মাঠছাড়া করেন সুয়াশ।
একশ করা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছিল পাঞ্জাব। ৯৭ রানে হারপ্রীত ব্রার (৪) আউট হলে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাটে চড়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায় দলটি। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন আফগানিস্তান ব্যাটার। ১২ বলে ১৮ রান করেন তিনি। তাকে নিজের তৃতীয় শিকার বানিয়ে পাঞ্জাবকে গুটিয়ে দেন হ্যাজেলউড। ৩.১ ওভারে ২১ রান দেন তিনি।
১৪.১ ওভারে ১০১ রানে অল আউট হয় পাঞ্জাব।
এছাড়া ৩ ওভার বল করে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে দলের সফল বোলার সুয়াশ। দুটি উইকেট নেন দয়াল।
লক্ষ্যে নেমে ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১০৬ রান করে বেঙ্গালুরু। ফিল সল্ট ২৭ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। অধিনায়ক রজত পতিদার ১৫ রানে খেলছিলেন। ১২ রান করেন বিরাট কোহলি। মায়াঙ্ক আগারওয়াল ১৯ রান করেন।
বলের হিসাবে প্লে-অফে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়লো বেঙ্গালুরু।
পাঞ্জাবের ফাইনালে খেলার সুযোগ এখনও আছে। তারা এলিমিনেটরে ম্যাচ জয়ী দলের বিপক্ষে খেলবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে।









