টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে পারদ উঠা-নামা করেছে বেশ দ্রুতই। পুরো ম্যাচ কখনওই নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তাইতো খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে লাল-সবুজদের। পাকিস্তানের বিপক্ষে মূল পর্বের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিংয়ে ছন্নছাড়া ছিল বাংলাদেশ। তাই হারতে হয়েছে।
পরের ম্যাচটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেঙ্গালুরুতে। ওখানে বোলিংটা ভালো হলেও ব্যাটিংয়ে শুরুতে রান কম উঠেছে। অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে পুরো ম্যাচটি বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণে রাখলেও শেষের তিন বলে ম্যাচ হেরে যায়। আর সর্বশেষ শনিবার পুরো দল ছন্নছাড়া ব্যাটিং করেছে। যদিও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে আটকে রাখতে পেরেছিলেন মুস্তাফিজরা।
শনিবার বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হাথুরুসিংহের কথায় উঠে আসলো পুরো সময় নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারার বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘আজকের ম্যাচই আমাদের গোটা বিশ্বকাপ অভিযানের প্রতীক বলা যায়। শুরুতে ম্যাচে ছিলাম আমরা, এরপর ছিটকে যাই ম্যাচ থেকে। ফিল্ডিংয়ে ছিল না প্রাণ। তবে দারুণ কিছু মুহূর্তও আবার এসেছে, বোলাররা ভালো করেছে। এটাই আমাদের গোটা বিশ্বকাপ অভিযানকে তুলে ধরছে। কখনও আমরা ছিলাম ব্রিলিয়ান্ট , কখনও লড়াকু, কখনও খুব বাজে।’
অনেক প্রস্তুতি নিয়ে এই টুর্নামেন্ট থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। হাথুরুসিংহে বলেন, ‘ফলাফলের কথা বললে আপনার সঙ্গে একমত হতেই হবে। তবে ২-১ বছর আগের তুলনায় আমরা অনেক উন্নতি করেছি টি-টোয়েন্টিতে। আগে আমাদের গড় স্কোর ছিল ১৩৫-১৩৫, এখন সেটা আরও বেশি। আমাদের বোলিং ভালো হচ্ছে, পরিকল্পনাও ছিল দারুণ। ক্যাম্প করে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অনেক উন্নতি হয়েছে। ফল একসময় আসবেই। এত দ্রুত ফল পাওয়া কঠিন। কারণ অন্য দলগুলোও অনেক ভালো, অনেক ভালো ক্রিকেটার আছে তাদের। এই গ্রুপটা সহজ ছিল না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘অবশ্যই সব ম্যাচ হেরেছি বলে আমরা হতাশ। তবে দুটি ম্যাচ আমরা দারুণ লড়েছি, জিততেও পারতাম। টি-টোয়েন্টিতেও উন্নতির প্রমাণ আমরা রেখেছি।’
/আরআই/এমআর/








