হোবার্ট হারিকেন্সের বিপক্ষে শেষ বলে ১ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। গ্লোবাল সুপার লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলো তারা, এই ম্যাচেও জয়ের রূপকার খালেদ আহমেদ। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন বাংলাদেশি পেসার।
প্রভিডেন্সে আগে ব্যাট করে রংপুর ৬ উইকেটে ১৫১ রান করে। বড় কোনও জুটি না হলেও কাইল মায়ার্সের ৪২ বলের ৬৭ রানের ইনিংসে এই পুঁজি গড়ে তারা।
তার আগে ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ৩১ বলে করেন ৪৩ রান। আজমতউল্লাহ ওমরজাই করেন ১৫ রান। আর কোনও ব্যাটারের ব্যাটে দুই অঙ্কের ঘরে রান আসেনি।
হোবার্টের উসামা মীর তিন উইকেট নেন। দুটি পান ফ্যাবিয়ান অ্যালেন।
লক্ষ্য দিয়ে ইনিংসের ষষ্ঠ বলে ভানুকা রাজাপাকসাকে ফেরায় রংপুর। মায়ার্সের বলে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর প্রতিরোধ গড়েন বেন ম্যাকডারমট। ম্যাকঅ্যালিস্টার রাইটের সঙ্গে চমৎকার জুটিতে রংপুরকে অস্বস্তিতে রাখেন। খালেদ আনেন ব্রেকথ্রু। ১৯ বলে ৩৪ রানে তার শিখার হন ম্যাকডারমট। বদলি ফিল্ডার সাইফ হাসানের ক্যাচ হন তিনি।
তারপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে হোবার্ট। ৮২ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর তারা মোহাম্মদ নবীর ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। এবারও খালেদের ব্রেকথ্রু। ওডিন স্মিথকে (২০) ফিরিয়ে ৪১ রানের জুটি ভেঙে দেন।
খালেদ তার পরের ওভারে পরপর অ্যালেন ও রাফ ম্যাকমিলানকে আউট করে ম্যাচ রংপুরের নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শেষ ওভারে ১৩ রান দরকার ছিল। বল হাতে নেন আজমতমউল্লাহ ওমরজাই। প্রথমটিই ছিল ওয়াইড। পরের বৈধ বলে নবী ছক্কা মেরে ঘাম ছুটান। এরপর উসামা দুটি রান নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ান। শেষ চার বলে দরকার ৪ রান। চতুর্থ বলে নবীকে ইফতিখার আহমেদের চমৎকার ক্যাচ বানান আফগান পেসার। ৩৬ বলে ৪৪ রানে বিদায় নেন নবী। স্ট্যানরেক পঞ্চম বলে সিঙ্গেল নিলে তিন রানের প্রয়োজন ছিল হোবার্টের। স্কোরে সমতা ফেরাতে দুটি রান নিতে চেয়েছিলেন উসামা। বেশ ঠাণ্ডা মাথার ফিল্ডিংয়ে ইফতিখারের থ্রোতে আজমতউল্লাহ নন স্ট্রাইকার প্রান্তে দ্বিতীয় রান নিতে যাওয়া স্ট্যানলেককে রান আউট করেন। ১৫০ রানে অস্ট্রেলিয়ান ক্লাবকে অলআউট করে জয় পায় রংপুর।
খালেদ চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন।









