শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছিলেন বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন। যার প্রভাব পড়েছে তার র্যাঙ্কিংয়ে। টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের তালিকায় ক্যারিয়ার সেরা স্থানে উঠেছেন এই লেগ স্পিনার। ১২ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন উঠেছেন ১৭ নম্বরে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রিশাদ ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। তাতে তার রেটিং এখন ৬২৩ পয়েন্ট। প্রথম ম্যাচে তার শিকার ছিল ১ উইকেট।
এগিয়েছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার শরিফুল ইসলামও। দ্বিতীয় ম্যাচে ১২ রানে ২ উইকেট নিয়ে ২০ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। তার অবস্থান ৫৭ নম্বরে। টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি।
টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের তালিকায় ৭ ধাপ এগিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস। লঙ্কানদের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তাতে জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে যৌথভাবে ৪৪ নম্বরে আছেন তিনি। তাছাড়া পারভেজ হোসেন ১২ ধাপ এগিয়ে ৮৫ নম্বরে, ১ ধাপ এগিয়ে তাওহীদ হৃদয় আছেন ৪১ নম্বরে। এই তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড।
এদিকে, টেস্টের র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় আবার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন ইংল্যান্ডের জো রুট। কিছুদিন আগে শীর্ষে উঠেছিলেন হ্যারি ব্রুক। ব্রুক দুই ধাপ পিছিয়ে তিনে নেমেছেন। তার রেটিং ৮৬২। রুটের রেটিং ৮৮৮। দুইয়ে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন।
লর্ডসে তৃতীয় টেস্টে ভারতকে ২২ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ওই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১০৪ রান করেছিলেন রুট। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৪০ রান।
এদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দিবা-রাত্রির টেস্টে হ্যাটট্রিক করে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা স্থানে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড। ৬ ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠস্থানে উঠেছেন তিনি।
আগের মতোই টেস্টে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে চূড়ায় ভারতের জসপ্রীত বুমরা। দুই নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা। তবে শীর্ষ দশে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার-ই পাঁচজন- প্যাট কামিন্স (৩), জশ হ্যাজলউড (৪), বোল্যান্ড (৬), ন্যাথান লায়ন (৮) ও মিচেল স্টার্ক (১০)।









