রাজধানীর ধানমন্ডিতে অ্যাপোলো ক্লিনিকে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিক্যাল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে চিকিৎসকদের জন্য এই আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিশেষায়িত ইউরোলজি, রোবোটিক সার্জারি, ল্যাপারোস্কপি ও এন্ডোস্কোপি বিষয়ে শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, পোস্টগ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ধানমন্ডির অ্যাপোলো ক্লিনিকটি জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি লাইসেন্স নেওয়া। এই ক্লিনিকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুটি বিশেষ সেশন ছিল— ‘অ্যাডভান্টেজ অব রোবোটিক্স ইন প্রস্টেট অ্যান্ড রেনাল টিউমার’ এবং ‘ল্যাপারোস্কোপিক এড্রেনালেকটমি ইন দ্য মডার্ন এরা’।
মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের অভিজ্ঞ রোবটিক ইউরোলজি সার্জন ডা. দীপাক রাঘাভান এবং অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির ইউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন (কাজল)। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির সিইও ডা. তামজীদ আলম।
এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড পিএলসি এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজারের বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগীকে সেবা দেওয়া, এক হাজার ৮০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) সেবা এবং এক হাজারের বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা। এছাড়া সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম বলে জানানো হয়।









