১৮ বছরে প্রথমবার আইপিএল শিরোপা জেতার পর রাজ্যে ফিরে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে উৎসব করতে চেয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। পরের দিন তারা ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ উদযাপনের পরিকল্পনা করে। সেই উৎসব শুরু হতে না হতেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায়। লাখ লাখ মানুষের হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান ১১ জন এবং অর্ধশতাধিক আহত হন। এই ঘটনায় পুলিশকে দায়ী করে একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে কর্ণাটক সরকার প্রাথমিক প্রতিবেদনে এর দায় পুরোপুরি দিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে।
বৃহস্পতিবার সরকারের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসে। সেখানে বলা হয়, আগেভাগে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা না করে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পার্টনার ডিএনএ নেটওয়ার্কস ও কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এই উদযাপনের ব্যবস্থা করে আরসিবি ম্যানেজমেন্ট।
এতে বলা হয়েছে, গত ৪ জুন ৩-৫ লাখ মানুষের জমায়েতের কারণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য পুরোপুরি দায়ী বেঙ্গালুরুই। ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে পুলিশ এত লোকের জমায়েত সামলানোর মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে, তা আশা করাটা ঠিক নয়। এমন বড় জমায়েতের জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা। সেই পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি পুলিশকে।
আরও বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাট কোহলির একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। যেখানে ভারতীয় তারকা ভক্তদের সঙ্গে উদযাপনের পরিকল্পনার কথা জানান। তাদেরকে শিরোপা উৎসবে যোগ দেওয়ার আহ্বান করেন। তাতেই লাখ লাখ লোক হুমড়ি খেয়ে পড়ে।







