ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে তাণ্ডব দেখা গেলো। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেললেন ডেভাল্ড ব্রেভিস। এই তরুণ ব্যাটার মাত্র ৪১ বলে তার ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার কোনও বোলার তার ঝড় থেকে রেহাই পাননি।
পঞ্চম ওভারে ব্যাট করতে নামেন ব্রেভিস। শুরুতেই এইডেন মার্করাম (১৮) ও রায়ান রিকেলটনকে (১৪) হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২ উইকেটে ৪৪ রানে ব্রেভিস ক্রিজে নেমে নিজের দ্বিতীয় বলে চার মারেন। তারপর সপ্তম ডেলিভারিতে ছক্কা। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে তিন ছয় ও এক চার মেরে ওভারে ২৪ রান তোলেন ব্রেভিস। জশ হ্যাজেলউডও এক ওভারে ১৮ রান দেন তাকে।
দাপট দেখিয়ে ট্রিস্টান স্টাবসের সঙ্গে ১২৬ রানের জুটি গড়েন ব্রেভিস। ৩১ রান করে স্টাবস বিদায় নিলে এই জুটি ভাঙে। তবে ‘বেবি এবিডি’ থামেননি। কেবল বেন ডোয়ারশুইস (৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট) ছিলেন সবচেয়ে কম খরুচে। তিনিও এক ওভারে ১৫ রান দেন।
২৫ বলে করা ফিফটিকে তিন অঙ্কের ঘরে নিতে আর ১৬ বল খেলেন ব্রেভিস। ইনিংস শেষে তিনি পাঁচটি রেকর্ড গড়েন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টি-টোয়েন্টি স্কোর তার। ৫৬ বলে ১২ চার ও ৮ ছয়ে ১২৫ রান করেন তিনি। ২০১৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জোহানেসবার্গে ফাফ ডু প্লেসির ১১৯ রান পেছনে পড়ে গেলো।
অস্ট্রেলিয়ায় যে কোনও ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করলেন ব্রেভিস। আর অজিদের বিপক্ষে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন। আর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটাই কোনও ব্যাটারের সর্বোচ্চ রান। ২০২৩ সালে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ১২৩ রান পেছনে পড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ২০ বাউন্ডারি মারা দক্ষিণ আফ্রিকান তিনি।
ব্রেভিসের বিধ্বংসী ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে ২১৮ রান করে।









