দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে খাদের কিনারে চলে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ১৭৩ রানের লক্ষ্যে ১৪তম ওভারে ১২২ রানে হারিয়ে ফেলেছিল ৬ উইকেট। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করে ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে অজি দল।
কেয়ার্নসে ১৭৩ রানের লক্ষ্যে দারুণ সূচনা করেন ট্রাভিস হেড ও মিচেল মার্শ। ওপেনিং জুটিতে ৬৬ রান যোগ করেন তারা। অষ্টম ওভারে হেড (১৯) বিদায় নিলে ভাঙে জুটি। তবে প্রান্ত আগলে ঝড়ো ফিফটিতে দলকে দিশা দেখাতে থাকেন ওপেনার ও অধিনায়ক মার্শ। দলের ৮৩ রানে তার আউটের পর হঠাৎ ছোট ধস নামলে চাপে পড়ে স্বাগতিক দল। মার্শের ৩৭ বলে করা ৫৪ রানের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৫টি ছয়।
মাঝের ধসে ৮৮ রানে ৪ উইকেট থেকে অস্ট্রেলিয়ার ১২২ রানে পতন হয় ৬ উইকেটের। কিন্তু মারকুটে ম্যাক্সওয়েল স্কয়ার অব দ্য উইকেটে ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। স্নায়ু ধরে রেখে ৩৬ বলে উপহার দেন ৬২* রানের বিস্ফোরক ইনিংস। ১৭২.২২ স্ট্রাইক রেটের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ২টি ছয়ের মার। ম্যাচসেরা ইনিংসে তিনি জয় নিশ্চিত করেন ১ বল হাতে রেখে। এটি ছিল ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার সফল রান তাড়ার নজির।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২৬ রানে তিনটি উইকেট নেন করবিন বশ। দুটি করে নিয়েছেন কাগিসো রাবাদা ও কিউনা মাফাকা।
টস হেরে ব্যাট করা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এদিনও ঝড়ো ব্যাটিং করেছেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তার ২৩ বলের ৫৩ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭২ রানের সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা।
তাদের শুরুটা অবশ্য মোটেও স্বস্তিকর ছিল না। ধীর গতির সূচনায় সংগ্রহ খুব বড় হয়নি। শীর্ষ তিনের কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। মূল কৃতিত্ব ব্রেভিস ও স্টাবসের চতুর্থ উইকেট জুটির। ২৯ বলে ৬১ রান যোগ করেন তারা। এই জুটিই ভালো স্কোরের মঞ্চ গড়েছে। স্টাবসের ২৩ বলের ইনিংসে ছিল ২৫ রান। তাছাড়া শেষটায় ভূমিকা রাখেন রাসি ফন ডার ডুসেন। ২৬ বলে ৩ চারে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন নাথান এলিস। দুটি করে নেন জশ হ্যাজলউড ও অ্যাডাম জাম্পা।









