এশিয়া কাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত তাদের শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করছে আজ বুধবার। শুরুতেই স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে। রাত সাড়ে ৮টার ম্যাচ দেখাবে টি স্পোর্টস। অবশ্য বড় প্রতিপক্ষকে সামনে পেয়েও সেটাকে‘বড় ম্যাচ’ হিসেবে দেখছেন না স্বাগতিক অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম!
শক্তি-সামর্থ্যে কোনও দিক দিয়েই ভারতের কাছে নয় আরব আমিরাত। তার পরেও নিজেদের শক্তিতে ভীষণ আস্থা অধিনায়কের। নিজেদের পরিকল্পনা ও আসন্ন সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তারা। এখন তো আফগানিস্তানের উত্থান থেকে প্রেরণাও নিচ্ছে। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন তারই ইঙ্গিত বহ যে যথেষ্ট সম্ভাবনাময় দল তারা। ওয়াসিম ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘আমরা এটাকে বড় ম্যাচ হিসেবে নিচ্ছি না। কারণ সবগুলো দলই ভালো। ফলে সব ম্যাচ একই রকম হবে। আমরা তীব্র গরমে কঠোর পরিশ্রম করছি। তাই শুধু পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে নামবো। যা শিখেছি, নির্দিষ্ট দিনে যা করা দরকার, আমরা সবকিছুই করবো। বাকিটা ম্যাচের ওপর।’
অন্যদের মতো ওয়াসিম নির্দিষ্ট কোনও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ধরে আগাতে রাজি নন। তারা নির্দিষ্ট ব্যাটারদের ধরে বাক্সবন্দী করে রাখার পরিকল্পনায় বদ্ধপরিকর, ‘আমরা নির্দিষ্ট কোনও খেলোয়াড়কে ধরে কাজ করতে রাজি নই। ৬-৭ ব্যাটার ধরে পরিকল্পনা করেছি। আমরা তাদের শক্তি সামর্থ্যকে কাজে লাগাতে দিতে চাই না। এমনকি তাদের উইকেট টেকিং বোলারের বেলাতেও সতর্ক থেকে খেলতে চাই। তার পর চড়াও হওয়ার লক্ষ্য।’
ভারতের স্পিন বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। রয়েছেন কুলদীপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেলরা। ওয়াসিম অবশ্য মনে করেন, কন্ডিশন তাদের প্রভাব প্রশমিত করতে পারে। বিশেষ করে শিশির খেলার মাঝে প্রভাব ফেলতে পারে। ওয়াসিমের মতে, ‘শিশির থাকলে স্পিনারদের বল সেভাবে ঘুরবে না। তবে সব কিছু কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করছে। এখানে ভারত-পাকিস্তান অনেক ক্রিকেট খেলে থাকে। আমারও খেলে থাকি। সব কিছুর ওপর এটা হচ্ছে আমাদের হোম গ্রাউন্ড। তাই সেই সুবিধাটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো। যাতে ভালো ক্রিকেট উপহার দেওয়া যায়।’
অপর দিকে গত ফেব্রুয়ারির পর কোনও ধরনের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেনি ভারত। তার পরেও নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, ‘যদি প্রস্তুতি ভালো থাকে, তখন মাঠে নামলে এমনিতেই আত্মবিশ্বাস কাজ করে। তিন-চারদিন আগে এসে দলীয়ভাবে ভালো সময় কাটিয়েছি। এখন আমরা টুর্নামেন্ট শুরু করতে মুখিয়ে আছি।’








