সংক্ষিপ্ত স্কোর: আফগানিস্তান ২০ ওভারে ১৪৬/১০ (ফারুকি ২*; অটল ০, ইব্রাহিম ৫, গুলবাদিন ১৬, গুরবাজ ৩৫, নবী ১৫, আজমত ৩০, করিম ৬, রশিদ ২০, গজনফর ০, নূর ১৪)
ফল: বাংলাদেশ ৮ রানে জয়ী।
বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৫৪/৫ (নুরুল ১২*, জাকের ১২*, সাইফ ৩০, লিটন ৯, তানজিদ ৫২, শামীম ১১, হৃদয় ২৬)
এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যে অবশ্য সফল হয়েছে টাইগাররা। রোমাঞ্চকর ম্যাচে আফগানদের হারিয়েছে ৮ রানে। ১৫৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে আফগানিস্তানকে তারা ১৪৬ রানে অলআউট করেছে। তাতে প্রথমবার বিদেশের মাটিতে আফগানদের হারানোর স্বাদ নিয়েছে লিটন দাসরা।
বি গ্রুপে তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে অবস্থান তাদের। দুই ম্যাচে দুটি জয় পাওয়া শ্রীলঙ্কার পয়েন্টও ৪। তবে শ্রীলঙ্কা নেট রান রেটের হিসেবে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে। রান রেটে এগিয়ে আছে আফগানিস্তানও। তিনে থাকা রশিদদের পয়েন্ট ২।
ম্যাচটা পাওয়ার প্লেতেই বাংলাদেশের পক্ষে নিয়ে আসতে অবদান নাসুম আহমেদের। তার বোলিংয়ে বিদায় নেন সেদিকুল্লাহ অটল (০) ও ইব্রাহিম জাদরান (৫)। তার পর গুলবাদিন (১৬), গুরবাজকে (৩৫) রিশাদ হোসেন ফেরালে চাপেই থাকে আফগানরা। তার পর বিগ শটস খেলে ম্যাচটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ১৬ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি। তাকেও বিদায় দিয়ে আবার ছন্দ পতন ঘটান তাসকিন আহমেদ। শেষ দিকে রশিদ খান ১১ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় আশার সঞ্চার করলেও সেটা ব্যবধান কমায় মাত্র। তাকে ২০ রানে থামান মোস্তাফিজুর রহমান। একই ওভারে গজনফরকে বিদায় দিয়ে হ্যাট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান। শেষ ওভারে নূর আহমেদ বড় শট খেললেও সেটা ব্যবধান কমিয়েছে। তাকে শেষ বলে সোহানের ক্যাচ বানান তাসকিন আহমেদ।
বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিং ছিল মোস্তাফিজুর রহমানের। ২৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে নেন নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। ম্যাচসেরা নাসুম আহমেদ।
মোস্তাফিজের জোড়া আঘাতে জয়ের কাছে বাংলাদেশ
ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার চেষ্টায় ছিলেন রশিদ খান। প্রথম বলে চার মারলেও ১৮.২ ওভারে মোস্তাফিজের বলেই ২০ রানে কাটা পড়েন তিনি। তাতে ১৩২ রানে অষ্টম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরের বলে নতুন নামা গজনফরকেও গ্লাভসবন্দি করান কাটার মাস্টার। তাতে জয়ের আরও কাছে চলে আসে বাংলাদেশ।
রান আউটে সপ্তম উইকেট হারালো আফগানিস্তান
১৮ বলে দরকার ৩১ রান। ঠিক এই সময়েই রান আউটে আফগানদের সপ্তম উইকেট তুলে তাদের আরও চাপে ফেলে বাংলাদেশ। নুরুল হাসান সোহানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে রান আউট হন করিম জানাত (৬)। তাতে ১২৪ রানে পড়েছে সপ্তম উইকেট।
ওমরজাই ঝড় থামালেন তাসকিন
৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারালেও ক্যামিও ইনিংসে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাচ্ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার ব্যাটে ১৫তম ওভারে স্কোর একশ ছাড়ায় আফগানদের। মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ানো এই ব্যাটারকে ৩০ রানে থামিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ওমরজাই ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা মেরেছিলেন।
নবীকে ফেরালেন মোস্তাফিজ
আফগানদের চেপে ধরার কৌশলে ১৩তম ওভারে পঞ্চম উইকেটও তুলে নেয় বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন মোহাম্মদ নবী (১৫)। তাতে ৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আরও বিপদে পড়ে আফগানিস্তান।
গুরবাজকে বিদায় দিয়ে আফগানদের আরও বিপদে ফেললেন রিশাদ
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে আফগানদের প্রত্যাশা মতো রান পেতে দেয়নি বাংলাদেশ। তাতে ১০ ওভারে ৩ উইকেটে সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬১ রান। গুরবাজ প্রান্ত আগলে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেও ড্রিংকস ব্রেকের পর রিশাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে ৩৫ রানে কাটা পড়েন আফগান ওপেনার। তার ৩১ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়। এটি ছিল রিশাদের দ্বিতীয় উইকেট। আফগানরা চতুর্থ উইকেট হারায় ৬২ রানে।
গুলবাদিনকে ফেরালেন রিশাদ, তৃতীয় উইকেট হারালো আফগানিস্তান
দুই উইকেট পতনের পর রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন গুলবাদিন নাইব ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ২৭ বলে ৩৩ রান যোগ করেন তারা। ৮.৩ ওভারে এসে গুলবাদিনকে বিদায় দিয়ে আফগানদের আরও চাপে ফেলেছেন রিশাদ হোসেন। গুলবাদিনের ফিরতি ক্যাচ নেন রিশাদ। তাতে আফগান ব্যাটার ১৪ বলে বিদায় নেন ১৬ রানে।
পাওয়ার প্লেতে আফগানদের বেশি রান নিতে দেয়নি বাংলাদেশ
পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি আফগানদের বেশি রানও করতে দেয়নি বাংলাদেশ। ৬ ওভারে নিতে পেরেছে মাত্র ২৭ রান। তাতে আফগানিস্তানকে শুরুতে চাপে রাখার কৌশলে সফল বাংলাদেশ।
আবারও নাসুমের আঘাত
প্রথম বলে নাসুমের আঘাতের পর চড়াও হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। পঞ্চম ওভারে এসে সেই জুটিও ভেঙেছেন নাসুম আহমেদ। তার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ৫ রানে ফিরেছেন ইব্রাহিম। অবশ্য আফগানিস্তান রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। আফগান ব্যাটার কাটা পড়েন আম্পায়ারর্স কলে।
প্রথম বলেই উইকেট তুলে নিলেন নাসুম
শেষ দিকে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। তবে আজকের একাদশে জায়গা পাওয়া নাসুম আহমেদ ঠিকই শুরুর দিকে উইকেট নিয়ে আফগানদের চাপে ফেলেছেন। প্রথম বলে ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটলকে শূন্য রানে এলবিডাব্লিউ করেছেন বামহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তাতে কোনও রান না তুলেই শুরুতে উইকেট হারায় আফগানিস্তান। নাসুম প্রথম ওভারে কোনও রান দেননি।
আফগানিস্তানকে ১৫৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ
টস হারলেও আফগানিস্তান ম্যাচের একেবারে শুরুতেই দুটি বড় সুযোগ নষ্ট করে। প্রথম ওভারে কঠিন ক্যাচ হাতে জমাতে পারেননি ওমরজাই। তৃতীয় ওভারে আবার বল চলে যায় উইকেটকিপার ও প্রথম স্লিপের মাঝখান দিয়ে। এরপর এলবিডাব্লিউর একটি খুব কাছাকাছি সিদ্ধান্তও বাংলাদেশকে সুবিধা করে দেয়। এভাবে দু’দুবার জীবন পেয়ে খেলার মোড় ঘুরিয়ে নেয় বাংলাদেশের ওপেনাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্কোর করেছেন। দাপটের সঙ্গে খেলে নিয়ন্ত্রণে নেয় পাওয়ারপ্লেও। ফারুকির এক ওভারেই চারটি বাউন্ডারি আর গজনফরের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক ছন্দ তৈরি করেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। দুর্দান্ত পাওয়ারপ্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৯ রান। উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৬৩ রানে, রশিদ খানের গুগলিতে বোল্ড হন সাইফ হাসান (৩০)।
তার পর স্পিনারদের বিরুদ্ধেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে খেলছিলেন লিটন-তানজিদরা। ১০ ওভারে বাংলাদেশের রান পৌঁছে যায় ৮৭ রানে। কিন্তু ড্রিংকস ব্রেকের পরই ম্যাচে ফেরে আফগানরা। আক্রমণে আসা নূর আহমেদ প্রথমে এলবিডাব্লিউ করেন লিটনকে (৯। এরপর পরের ওভারেই ফেরান ঝড়ো ফিফটি তুলে নেওয়া তানজিদ তামিমকেও (৫২)।
সেখান থেকে স্পিন আক্রমণে বাংলাদেশকে চেপে ধরে আফগানিস্তান। মাঝে ও শেষ দিকে রানরেট আটকে দেন রশিদ-নূররা। এই সময়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররা খেলেছে ৪৮টি ডট বল। শেষ তিন ওভারে মাত্র ২৪ রান দেন ফারুকি ও ওমরজাই। ৫ উইকেট পতনের পর জাকের আলী ও নুরুল হাসান সোহান শেষ দিকে প্রত্যাশা মিটিয়ে রান তুলতে পারেননি। ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। সোহান ৬ বলে ২ চারে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। জাকের ১৩ বলে ১টি চারে অপরাজিত থাকেন ১২ রানে।
২৬ রানে ২টি উইকেট নেন রশিদ খান। ২৩ রানে দুটি নেন নূর আহমেদও। একটি নিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
২৬ রানে ফিরলেন হৃদয়
শেষ দিকে রান বাড়িয়ে নেওয়াই থাকে লক্ষ্য। সেখানে প্রত্যাশা মতো রান নিতে পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। উল্টো উইকেট হারাতে হয়েছে। ১৮.১ ওভারে শট খেলতে গিয়ে বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয়। আজমতউল্লাহ ওমরজাইর ফুলার লেংথের বলে মেরে খেলতে গিয়ে ২৬ রানে কাটা পড়েন হৃদয়। তার ২০ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ১টি ছয়।
শামীমকে বিদায় দিলেন রশিদ
তানজিদ তামিমের বিদায়ের ডেথে রান বাড়িয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পড়েছিল তাওহীদ হৃদয় ও শামীম হোসেনের। তারা ১৭ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি শামীম। নিজের শেষ ওভারে শামীমকে ১১ রানে এলবিডাব্লিউতে ফিরিয়েছেন রশিদ খান। তাতে ১২১ রানে পড়েছে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট।
ফিফটির পর ফিরলেন তানজিদ
বাংলাদেশের রানের চাকা শুরু থেকে সচল রেখেছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান। তার ব্যাটেই পাওয়ার প্লেতে ঝড়ো সূচনা পায় বাংলাদেশ। অন্যপ্রান্ত নড়বড়ে হলেও দিশা দেখাচ্ছিলেন তিনি। ২৮ বলে তুলে নেন নিজের সপ্তম ফিফটি। ফিফটির পর অবশ্য টেকেননি বেশিক্ষণ। দলের ১০৪ রানে নূর আহমেদের বলে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন ৫২ রানে। তার ৩১ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়ের মার।
দ্রুত ফিরলেন লিটনও
ওপেনার তানজিদ আগ্রাসী ব্যাটিং ধরে রাখলেও অপরপ্রান্ত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। নতুন নামা লিটন দাসকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি স্পিনার নূর আহমেদ। ৮৭ রানে ফুলার লেংথের বলে প্যাডল সুইপ করতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বল প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার আফগানিস্তানের আবেদনে সাড়া দেননি। পরে তারা রিভিউ নিলে সেখানে মিলেছে সাফল্য। লিটন এলবিডাব্লিউতে ফেরেন ১১ বলে ৯ রানে।
৬৩ রানের ঝড়ো জুটি ভাঙলো সাইফের বিদায়ে
ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ওপেনিংয়েই দারুণ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। প্রথমবার একাদশে সুযোগ পেয়ে ওপেনিংয়ে অবদান রাখেন সাইফ হাসানও। তাতে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে যোগ হয় ৫৯ রান। তবে সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ৬.৪ ওভারে এসে প্রথম ওভারেই ৬৩ রানের (৪০ বল) শুরুর জুটি ভাঙেন রশিদ খান। সাইফ হাসানকে বোল্ড করেছেন ৩০ রানে। এই ওপেনারের ২৮ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ১টি ছয়।
আম্পায়ার্স কলে রক্ষা পেলেন তানজিদ
২.৪ ওভারে আম্পায়ার্স কলে রক্ষা পেয়েছেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানও। ফজল হক ফারুকির বল প্যাডে লাগলে অনফিল্ড আম্পায়ার সাড়া দেননি। আফগানিস্তান রিভিউ নিলে দেখা গেছে, তানজিদ এলবিডাব্লিউ হলেও আম্পায়ার্স কলে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। তখন তানজিদ ১০ রানে ব্যাট করছিলেন।
শুরুতে জীবন পেলেন সাইফ
প্রথম ওভারে দারুণ বোলিংয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখতে পেরেছিলেন ফজল হক ফারুকি। শট খেলার চেষ্টায় পঞ্চম বলে ক্যাচও দিয়েছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। সেটা হাতে জমাতে পারেননি ওমরজাই। তাতে শূন্য রানে জীবন পান টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা সাইফ।
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে শুরুতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ
এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আজ জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। এমন চাপ মাথায় নিয়ে শুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন লিটন দাস।
আবু ধাবিতে টস জিতে লিটন বলেছেন, পিচটা একটু স্লো মনে হচ্ছে। ব্যাটিংয়ের জন্যও ভালো। স্কোর ১৬০ এর মতো হলে সেটা ভালো বলে মনে করেন তিনি। আফগান অধিনায়ক রশিদ বলেছেন তারাও শুরুতে ব্যাট করতে চেয়েছিলেন।
একাদশে কারা
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪টি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন আগের ম্যাচ খেলা ওপেনার পারভেজ হোসেন, পেসার শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও তানজিম হাসান। টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো একাদশে ফিরেছেন সাইফ হাসান, নুরুল হাসান হোসান, নাসুম আহমেদ। এছাড়া আগের ম্যাচ না খেলা তাসকিন আহমেদও ফিরেছেন।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান, জাকের আলী, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।
আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), সেদিকুল্লাহ অটল, ইব্রাহিম জাদরান, গুলবাদিন নাইম, করিম জানাত, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান (অধিনায়ক), নূর আহমেদ, এএম গজনফর, ফজল হক ফারুকি।









