চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি। তবে তার প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন উঠেছে—মোসাদ্দেক ও মেহেদী হাসান মিরাজ কি একই ধরনের ভূমিকা পালন করেন? বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ অবশ্য সেই বিতর্ক উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, দুজন অলরাউন্ডার হলেও দলের ভেতরে তাদের দায়িত্ব ও ভূমিকা সম্পূর্ণ আলাদা।
মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে সোমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমি আর মোসাদ্দেক কিন্তু একসঙ্গে বাংলাদেশ দলে অনেকদিন খেলেছি। ২০১৯ বিশ্বকাপেও আমরা একসঙ্গে খেলেছি। আমার কাছে মনে হয়, এটা কোনো ভিন্ন ইস্যু নয়। মোসাদ্দেক তার ভূমিকা পালন করবে, আমি আমার কাজ করবো। মোসাদ্দেক হলো ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আমি হলো বোলিং অলরাউন্ডার। দুজনের ভূমিকাটা আলাদা।’
আবাহনী লিমিটেডের হয়ে এবারের মৌসুমে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই উজ্জ্বল ছিলেন মোসাদ্দেক। ছয় ইনিংসে ৭৭.৫০ গড়ে ও ১২৯.১৭ স্ট্রাইক রেটে ৩১০ রান করেছেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি ফিফটি। পাশাপাশি সাত ইনিংসে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তাই মিরাজের বিশ্বাস, ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে জাতীয় দলে সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবেন মোসাদ্দেক, ‘আমার কাছে মনে হয়, সে যদি পারফর্ম করতে পারে, এটা আমার জন্য এবং দলের জন্য অনেক বিরাট সহায়তা হবে। দিন শেষে আমরা সবাই চিন্তা করি যে, দলটাকে কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায় এবং আমার কাছে মনে হয়, আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী তাকে নিয়ে, যেভাবে সে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করেছে। যদি সুযোগ আসে, ভালো করবে।’
অধিনায়কের দৃষ্টিতে মোসাদ্দেকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হতে পারে অতিরিক্ত বোলিং অপশন হিসেবে। মিরাজের ভাষায়, ‘এরকম একটা অপশন যদি থাকে, আমাদের দলের জন্য অনেক সহায়ক হবে। আপনি যখন পাঁচটা বোলার নিয়ে খেলবেন, সঙ্গে বাড়তি বোলার থাকবে, তখন অনেক ভরসা থাকবে। একটা বোলারের খারাপ দিন যেতেই পারে। ব্যাকআপ হিসেবে বোলার থাকলে দলের ভারসাম্য খুব ভালো থাকে।’
মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে মাঠে গড়াবে কাল বেলা ১১টায়।









