ডার্বিতে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচের প্রথম দিন বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন বাংলাদেশের দুই পেসার। হাসান মাহমুদ ৩০ রানে নেন ৪ উইকেট। আর কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেকেই খালেদ আহমেদ ৭৩ রান দিয়ে শিকার করেন ৩ উইকেট।
জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ করে কাউন্টি ক্রিকেটে ফেরার পর আগের ম্যাচে ১১৯ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন হাসান। সেই দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখেন ডার্বিশায়ারের বিপক্ষেও। তাদের বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত ডার্বিশায়ার প্রথম ইনিংসে থামে ৩০০ রানে।
জবাবে দিন শেষ হওয়ার আগে কেন্টও একটি উইকেট হারিয়েছে। ওপেনার বেন কম্পটন দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর ছয় ওভারে ১১ রান তুলেছে তারা।
ডিভিশন ওয়ানে ওঠার লড়াইয়ে থাকা কেন্ট এই রাউন্ড শুরু করেছে শীর্ষে থাকা ডারহামের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট পিছিয়ে। ফলে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাচের পর কেন্টের ওয়েবসাইটে নিজের বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন হাসান। বলেছেন, নতুন উইকেটের সুবিধা কাজে লাগাতেই শুরু থেকে সঠিক জায়গায় বল করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
হাসানের ভাষায়, ‘নতুন উইকেটে আমি শুধু চেষ্টা করেছি ভালো লেংথে জোর দিয়ে বল করতে এবং যতটা সম্ভব কম রান দিতে।’
কাউন্টিতে খালেদের সঙ্গে একই দলের হয়ে বোলিং করাটাও উপভোগ করছেন হাসান, ‘খালেদকে বোলিং পার্টনার হিসেবে পাশে পাওয়া অবশ্যই ভালো লেগেছে। ওর জন্য আমি খুব খুশি। কেন্টের হয়ে প্রথম ম্যাচেই তিন উইকেট নিয়েছে, আশা করি পরের ইনিংসেও ওর ভালো যাবে।’
দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটারের কেন্টে খেলা নিয়ে দেশের মানুষের উচ্ছ্বাসের কথাও জানিয়েছেন হাসান।
তিনি বলেন, ‘দুজন খেলোয়াড় কেন্টের হয়ে খেলছে, বাংলাদেশের মানুষ খুব খুশি। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় যা হয়েছে, সেখানে আমাদের প্রথম টেস্ট জয়, তার পর এটাও আমাদের জন্য খুব বিশেষ।’








