জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল দুই রান, টাই করতে দরকার এক। শেষ বলে একটি রান পূর্ণ করার পর রানআউট। মাঠের স্কোরবোর্ডে রান যোগও হয়েছিল। কিন্তু অফিসিয়াল স্কোরে সেই রান ওঠেনি। শেষ পর্যন্ত এক রানের হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে- এমন ঘটনার অভিযোগ তুলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) দ্বারস্থ হয়েছে ঝাড়খণ্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (জেসিএ)।
ভারতের নাগপুরে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টে গত মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ডের বিপক্ষে ম্যাচে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে জেসিএ। প্রথমে ব্যাট করে উত্তরাখণ্ড ৬ উইকেটে ১৩৪ রান করে। জবাবে ঝাড়খণ্ডের ইনিংস শেষ হয় ১৩৩ রানে। শেষ বলে অলআউট হয়ে এক রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় তারা।
জেসিএ’র দাবি, ঝাড়খণ্ডের ইনিংসের ১৯.৪ ওভারে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে তাদের এক ব্যাটার রানআউট হন। কিন্তু অফিসিয়াল স্কোরার প্রথম রানটি নথিভুক্ত না করে শুধু রানআউটের ঘটনাটি রেকর্ড করেন। ফলে দলের মোট রানে ওই রান যোগ হয়নি।
অভিযোগে জেসিএ আরও জানিয়েছে, মাঠে স্কোরবোর্ড পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি কিন্তু রানটি যোগ করেছিলেন। খেলোয়াড়রাও সেই হিসাব মেনে নিয়েছিলেন।
ঝাড়খণ্ড দলের ধারণা ছিল, জিততে তাদের প্রয়োজন দুই রান, আর ম্যাচ টাই করতে দরকার এক রান। কিন্তু শেষ বলে রানআউটের আগে একটি রান পূর্ণ করার পরও যখন তারা এক রানে হেরে যায়, তখন বিস্মিত হন খেলোয়াড়রা।
নাগপুরের অমৃতবাই দাগা কলেজ মাঠে এ নিয়ে স্কোরারের সঙ্গে খেলোয়াড়দের তর্কও হয়। তবে স্কোরার নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআইকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে ঝাড়খণ্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।