পানামার বিপক্ষে খেলার ৬০ মিনিট চলছিল। ম্যাচের ৩১ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া পানামা তখনও বেশ লড়াই করছিল। ৬০ মিনিটেও আর্জেন্টিনা মাত্র ১-০ গোলে এগিয়ে। ৬১ মিনিটে অগাস্তো ফার্নান্দেজের বদলি হিসেবে মঠে নামলেন লিওনেল মেসি। এরপরই যেন বদলে গেল আলবেসিলেস্তরা। মাঠে নামার ২৭ মিনিটের মধ্যে পরপর তিনটি গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে পর্যন্ত মাত্র ১ গোল করা আর্জেন্টিনা মেসি নামতেই যেন ভোজবাজির মতো পাল্টে গেল। মেসি মাঠে নামার পরবর্তী ৩০ মিনিটে এলো আরও ৪ গোল! শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসিরা। আর্জেন্টিনার হয়ে বাকি গোল দুটি করেন ওটামেন্ডি ও আগুয়েরো।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে নিজেদের রক্ষণে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে শট নেন পানামার মিলার। কিন্তু তার শটটি হিগুয়েনের গায়ে লেগে ফিরে আসে গোলপোস্টের সামনে। সেখানে বল পেয়ে যান মেসি। সহজ সুযোগ হাতছাড়ান করেননি বার্সা তারকা। কোপা আমেরিকায় মাঠে নামার ৫ মিনিটের মধ্যে গোলের খাতা খুলেন তিনি।
কিন্তু প্রতিপক্ষের উপহার পাওয়া গোলে কি আর মন ভরে পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের। ৭৮ মিনিটে গােলপোস্টের ২৫ গজ দূর থেকে দৃষ্টিনন্দন এক ফ্রি কিক থেকে গোল আদায় করেন তিনি। গোলপোস্টের একেবারে কোন ঘেঁষে জালে জড়ানো ওই শটটি ঠেকানো বিশ্বের যে কোনও গোলকিপারের পক্ষেই প্রায় অসম্ভব।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মেসি। মার্কোস রোহোর পাস থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে দারুণ ফুটওয়ার্কে জলে বল জড়ান তিনি।
/এমআর/







